শিরোনাম
ঈদের ছুটেিতে বাড়ী গিয়ে হামের উপসর্গে অসুস্থ মিডওয়াইফারী তৃতীয় বর্ষের ছাএী  জেরিন সুলতানার মৃত্যু    সিলেটে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী ও কামাল খানকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ছাতক পৌরসভার প্রতিষ্ঠাকালীন সাবেক কমিশনার বীথিকা দাস বীথির স্মরণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্টিত  সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ফুটপাতে চাঁদাবাজি   নীরব দর্শকের ভূমিকায় প্রশ্নবিদ্ধ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী!  টাংগুয়ার হাওর বেড়াতে এসে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার  তাহিরপুর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস, এম মাহবুব মল্লিক    ছাতকে সড়ক দুর্ঘ’টনা’য় একজনের মৃ’ত্যু  দোয়ারাবাজার উপজেলার টেবলাই গ্রামে সোহাগ মিয়া (১৮) নামে এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ অভিষেক ব্যানার্জীর উপর ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এবং চড়াও হলেন- এলাকার মানুষ অভিষেক ব্যানার্জীর উপর ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এবং চড়াও হলেন- এলাকার মানুষ।
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন

এটিও আশরাফুলের দুর্নীতির সাম্রাজ্য: ১৩৬টি ওয়াসব্লক থেকে অর্ধকোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ২৬৫ Time View
Update : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

171

শিক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষী সাব্যস্ত হলে বিভাগীয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) মো. আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগে শিক্ষা বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়েছে। উপজেলার ১৩৬টি বিদ্যালয়ের ওয়াসব্লক প্রকল্প থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ঘুষ গ্রহণসহ নানা অনিয়মের খবর সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গত ৬ এপ্রিল ‘দৈনিক সিলেট সংবাদ’ পত্রিকায় দুর্নীতির বিস্তারিত খতিয়ান প্রকাশের পর বিষয়টি এখন ‘টক অব দ্য ডিস্ট্রিক্ট’-এ পরিণত হয়েছে।

 

সূত্র জানায়, গত ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে ভুক্তভোগীরা আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে ২৫টি সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ জমা দেন। সংবাদমাধ্যমে এসব অভিযোগ হুবহু প্রকাশিত হওয়ার পর নেট দুনিয়ায় তা ভাইরাল হয়। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে এই উপজেলায় কর্মরত থাকাকালীন তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির এক অদৃশ্য সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

সবচেয়ে বড় অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ১৩৬টি বিদ্যালয়ের ওয়াসব্লক (ডধংয ইষড়পশ) নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে। অভিযোগ অনুযায়ী প্রতিটি ওয়াসব্লক থেকে মোটা অংকের কমিশন নিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ হওয়া সত্ত্বেও তদারকি ছাড়াই প্রধান শিক্ষকদের বিল-ভাউচারে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করেছেন। উনার ভয়ে শিক্ষকরা মুখ খুলতে সাহস না পেলেও এখন অনেকেই দুর্নীতির তথ্য নিয়ে সামনে আসছেন।

 

দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর অভিযুক্ত আশরাফুল আলম প্রতিবেদককে বিভিন্নভাবে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা চালান বলে জানা গেছে। এতে ব্যর্থ হয়ে এখন তিনি ভুক্তভোগীদের মামলা ও হামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, অধিদপ্তরের তদন্ত ভিন্ন খাতে নিতে তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ‘অভিযোগ মিথ্যা’ মর্মে লিখিত নেয়ার চেষ্টা করছেন। এমনকি কিছু শিক্ষক নেতাকে টাকার বিনিময়ে বশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

 

একাধিক শিক্ষক নেতা জানিয়েছেন, আশরাফুল আলমের বিগত ৭ বছরের দুর্নীতির বিস্তারিত খতিয়ান নিয়ে এখন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষকদের একটি বড় অংশ এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই কর্মকর্তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন।

 

এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা যাচাই করতে এটিও মো. আশরাফুল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনোসাড়া পাওয়া যায়নি।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ