সিলেটের কালীঘাটে অবৈধ ভারতীয় পণ্যের আস্তানা! সাদ্দামের গোডাউন নিয়ে তোলপাড়
সীমান্ত পেরিয়ে কালীঘাটের গোডাউনে ভারতীয় পণ্য, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেটের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার কালীঘাটে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় পণ্যের অবৈধ চোরাচালান ও মজুতের অভিযোগ উঠেছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে সীমান্ত দিয়ে আনা বিভিন্ন চোরাই পণ্য গোপনে বাজারে প্রবেশ করাচ্ছে এবং সুনির্দিষ্ট কিছু গোডাউনে তা মজুত করছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে চোরাকারবারি চক্রটি প্রতিনিয়ত নানা কৌশল অবলম্বন করছে। এই অবৈধ নেটওয়ার্কের পেছনে সীমান্ত ও স্থানীয় পর্যায়ের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির ইন্ধন রয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
সম্প্রতি কালীঘাটের ব্যবসায়ী সাদ্দাম-এর একটি গোডাউনকে কেন্দ্র করে অবৈধ চোরাচালানের তীব্র অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাদ্দাম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “গত তিন মাস ধরে আমার গোডাউনে কোনো ধরনের মালামাল আসেনি। আমার বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলের দাবি, অবৈধভাবে ভারতীয় পণ্য এভাবে বাজারে চলে আসায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। একই সাথে বৈধভাবে ব্যবসা করা সাধারণ ব্যবসায়ীরা মারাত্মক অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছেন।
কালীঘাটের ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা চোরাচালানের এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করতে এবং প্রমাণ সাপেক্ষে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের স্থান:
সিলেটের অন্যতম প্রধান পাইকারি বাজার কালীঘাট।
মূল অভিযোগ: রাতের আঁধারে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভারতীয় পণ্য এনে গোডাউনে মজুত ও বাজারজাতকরণ।
অভিযুক্ত পক্ষ: ব্যবসায়ী সাদ্দাম ও একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্র (পেছনে প্রভাবশালী মহলের জড়িত থাকার শঙ্কা)।
অভিযুক্তের বক্তব্য: সাদ্দাম অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, গত ৩ মাস তার গোডাউনে কোনো মালামালই আসেনি।
ক্ষয়ক্ষতি: সরকার হারাচ্ছে বিপুল রাজস্ব, বৈধ ব্যবসায়ীরা পড়ছেন অসম প্রতিযোগিতায়।
দাবি: প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ, সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনা।