শিরোনাম
দোয়ারাবাজারে তিন সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন সিলেটের কানাইঘাটে ০১ বছর ০৬ মাসের সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামী সাহেদ আটক বাংলাবাজারে মাদকবিরোধী ঐক্য পরিষদের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে চোরাচালান চক্রের সঙ্গে পুলিশের অশুভ আঁতাত: হরিপুর থেকে চালিবন্দর পর্যন্ত ফ্রি-স্টাইল বাণিজ্য গোলাপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী আহত মামলায় যুবলীগ নেতা আবুল কালাম কয়েস গ্রেফতার গোলাপগঞ্জে ফেসবুকে অস্ত্রের মহড়া, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর আয়োজিত, হর ঘর তিরঙ্গা শোভাযাত্রা ও তিরঙ্গা উৎসব পালিত হল ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি এবং পরিদর্শনে কলকাতা পুলিশ কমিশনার ও বোম স্কোয়াড কুকুর সৌদি আরবের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার ১.৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যার প্রধান কারণ হলো আবাসন, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং অন্যান্য জ্বালানির দামে ৪.২ শতাংশ বৃদ্ধি। সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে কাভারভ্যানসহ ২২ লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় জিরা ও ফুচকা উদ্ধার, আটক ২
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন

দোয়ারাবাজারে তিন সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

স্টাফ রিপোর্টার / ২৩ Time View
Update : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

30

দোয়ারাবাজারে তিন সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

 

দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামে তিন সন্তান ও সংসার ফেলে প্রেমিক ফয়েজ ওরফে খয়েজ মিয়ার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে দুই দিন ধরে অনশন করছেন এক গৃহবধূ। অনশনরত গৃহবধূর নাম মাহমুদা আক্তার। তিনি একই ইউনিয়নের রাঙাউটি গ্রামের সোহেল মিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে উত্তর কলাউড়া গ্রামের ফয়েজ মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি বিষয়টি স্বামী সোহেল মিয়া টের পেলে স্ত্রী মাহমুদার সঙ্গে তাঁর তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। এরই একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে মাহমুদা আক্তার নিজের তিন সন্তান ও সংসার ফেলে সরাসরি ফয়েজের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন।

বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন এবং তাঁকে বিয়ের দাবি জানাচ্ছেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্বামী সোহেল মিয়া জানান স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের কারণে তাঁদের পরিবারে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল। অন্যদিকে, মাহমুদা আক্তার প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে এবং সামাজিক মাধ্যমে যেন তা ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য অনুরোধ জানান। অভিযুক্ত ফয়েজ (উরুফে খয়েজ) মিয়ার বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ঘটনার সুরাহা করতে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ