শিরোনাম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিদ্যালয় পরিদর্শন: বিতর্কিত মন্নান মেম্বারের উপস্থিতি নিয়ে তোলপাড় ৫৫ বছরের খালুর লালসায় ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী : টাকার বিনিময়ে গর্ভপাত, ধামাচাপার চেষ্টা বাংলাদেশী কিন্নর হিজড়া গুন্ডা জেহাদীদের প্রতিবাদে মহা মিছিল ও থানায় ডেপুটেশন  সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ২৩টি ব্যাংকের সমন্বয়ে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত সিলেট জেলা প্রশাসনের ঘোষিত “এসি ল্যান্ড অফ দ্য মান্থ “প্রণয় বিশ্বাস এখন কুলাউড়ায় জনবান্ধব ভূমি সেবার ঘোষণা  জাফলংয়ে পশ্চিম কালিনগর ও পাথারটিলা ফুটবল প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে হিল স্ট্রাইকারের ৩-০ গোলের দাপুটে জয় আমতলীতে খাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের মরদেহ উদ্ধার ধর্মপাশা থানার ওসি সহিদ উল্ল্যা মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নাসিম হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে ৯জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সিলেটের সীমান্তের ‘গডফাদার’ রশিদ মিছিলে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে এবং রাষ্ট্রকে বাঁচাতে মহা মিছিল, 
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন

৫৫ বছরের খালুর লালসায় ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী : টাকার বিনিময়ে গর্ভপাত, ধামাচাপার চেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার / ২৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

28

৫৫ বছরের খালুর লালসায় ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী : টাকার বিনিময়ে গর্ভপাত, ধামাচাপার চেষ্টা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেটের গোয়াইনঘাটে ৫৫ বছরের এক বৃদ্ধের লালসার শিকার হয়ে ১৪ বছরের এক কিশোরী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে গর্ভপাত ঘটিয়ে পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নের গোরাগ্রাম বরইকান্দি গ্রামে আব্দুর রহমান ওরফে কটন আলী (৫৫) কতৃক একই গ্রামের আমীর আলীর মেয়ে আলীনা বেগমকে (১৪) কয়েক মাস আগে ভয়ভীতি ও নানা প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সম্প্রতি কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবার সন্দেহ প্রকাশ করে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।ঘটনাটি প্রকাশ পেলে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান ও তার সহযোগী সমন্ধিক মছব্বির আলী, ইসলাম উদ্দিন, শালা মশাহিদ আলী স্থানীয় উপরগ্রামের শামীম আহমদ, সমন্ধিক ইউনুস আলীর স্ত্রী নাজমা বেগম মিলিত হয়ে উক্ত ভুক্তভোগীর পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মোটা অঙ্কের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি দামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে গোপনে অসহায় আমির আলীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও সালিসের মাধ্যমে ফয়সালার কথা বলে গত স্থানীয় উপরগ্রামের শামীম আহমদ ও সমন্ধিক ইউনুস আলীর স্ত্রী নাজমা বেগম মিলিত হয়ে গত

গত বৃহস্পতিবার ২ মাসের অন্তঃসত্তা মেয়েকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যালে গিয়ে গাইনি বিভাগের নার্স শেফালি বেগমের মাধ্যমে এক ডাক্তারের বাসায় নিয়ে ১১ হাজার টাকার বিনিময়ে এব্রশন করে কিশোরীর গর্ভপাত করানো হয় বলে জানা গেছে।অথচ বিষয়টি গ্রাম্য সালিসের মাধ্যমে এখনও ফয়সালা করা হয় নি। বর্তমানে কিশোরীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে একাধিক সুত্র জানিয়েছে। ধর্ষনের বিষয়ে গোরাগ্রাম বরইকান্দি গ্রামের মুরব্বি আলীম উদ্দিন জানান, এরকম ঘটনা ঘটেছে সঠিক, তবে ভিকটিম গরিব হওয়ায় আর্থীক লেনদেনর মাধ্যমে সমঝোতা হয়ে গেছে । এ ব্যাপার একই গ্রামের পাঞ্চায়েত কমিটির মুরব্বি আব্দুল মুকিত জানান, বিষয়টি আমাদের গ্রামের পাঞ্চায়েতে মেয়ের বাবা বিচার প্রার্থী হন। পরে শুনছি ২ লাখ টাকার বিনিময়ে দামাচাপা দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী আলীনার বাবা আমীর আলী বলেন, আমি গরীব ও অসহায় হওয়ায় আমার মেয়েকে ধর্ষক আব্দুর রহমান একাধিক বার ধর্ষন করে। যার ফলে আমার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। আমি দারে দার ঘুরে বিচার পাইনি। পরে গত বৃহস্পতিবার সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠিয়ে তার সহযোগীরা এব্রশন করিয়ে গর্ভপাত করে । আমার মেয়ের শারীরিক অবস্থা খারাপ।এ ব্যাপারে ধর্ষক আব্দুর রহমানের কাছে ফোন দিয়ে ধর্ষনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় উপরগ্রাম গ্রামের শামীম আহমদ জানান, মেয়েটির গর্ভপাতের বিষয়টি সঠিক, আমাকে তাদের সাথে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে নিয়েছিল। এব্রশনের ৯০০০(নয় হাজার) টাকা আমার বিকাশে লেনদেন হয়েছে। বাকী ৪ ০০০( চার হাজার) টাকা নাজমা বেগম দিয়েছে।

এ ব্যাপারে ধর্ষক আব্দুর রহমানের শালা মুশাহিদ আলীর সাথে আলাপকালে তিনি ধর্ষন ও গর্ভোতের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন বিষয়টি আপোষ মিমাংসা প্রক্রিয়াধিন।সুত্রমতে, ধর্ষক আব্দুর রহমান পুর্বে অনেকবার একাধিক ধর্ষনের সাথে জড়িত ছিল, এমনকি তাহার পিতার বাড়ি পশ্চিম জাফলংয়ে মনাইকান্দি গ্রামে সেখানেও এসব কার্যকলাপের জন্য তাকে ঐ গ্রাম থেকে বিতাড়িত করা হয় । এই নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল এ জঘন্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত বৃদ্ধসহ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ মো. ওমর ফারুক জানান,বিষয়টি এই মাত্র জেনেছি খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ