কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা আলী হোসেন এখন সিলেটের কারাগারে
এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া: সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তে অবৈধ পথে ভারতে মানব পাচারে দালালদের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৪ এপ্রিল ভোর থেকে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তের পূর্ব কারাবাল্লাহ সহ বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি বেড়েছে । সীমান্তে বিজিবির হাতে আটকের পর ১৩ এপ্রিল বিকেলে এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আদালতের সোপর্দ করেছে কানাইঘাট থানা পুলিশ। তার নাম আলী হোসেন। সে (রোহিঙ্গা ) কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে শনাক্ত করা হয়েছে। বিজিবি ও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আলী হোসেন ভারতে তার পরিবারের কাছে যাওয়ার জন্য দালালের সহায়তায় সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করছিলো বলে স্বীকার করে।
তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাকে সহায়তাকারী দালাল চক্রের সদস্য রুমেল আহমদকে ও গ্রেফতার করে বিজিবি। এ সময় তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও মুঠোফোন জব্দ করা হয়।
রুমেল সীমান্ত এলাকায় আদম পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই জানিয়েছেন। ঐ রাতে আটগ্রাম বিওপির টহল দল পূর্ব কারাবাল্লা এলাকায় পৃথক অভিযানে কালিয়া উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ রুবেল শেখ ও যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মোছাম্মদ শাহনাজ নামের দুইজনকে আটক করে।
জবানবন্দীতে রুমেল শেখ জানান , সে উন্নত চিকিৎসার জন্য এবং শাহনাজ চাকরির উদ্দেশ্যে দালালের মাধ্যমে অবৈধ ভাবপ ভারতে যাচ্ছিলো। বিজিবির জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ১৯ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: জুবায়ের আনোয়ার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। কানাইঘাট থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম রাতে এ প্রতিবেদককে রোহিঙ্গা সহ অন্যদের আইনিভাবে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান। পুলিশের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বিভিন্ন বিটে চোরাচালান ও আদম পাচার রোধে। বৃদ্ধি করা হয়েছে গোয়েন্দারা অবৈধ পথে ভারতে মানব পাচারকারী দালালদের বিষয়ে ।
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো: নাসির উদ্দিন প্রধান জানান, এই ঘটনা আটক রোহিঙ্গা সহ অন্যরা কারাবন্দী হিসেবে রয়েছেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে