শিরোনাম
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে চেক, কার্ড ও হুইল চেয়ার বিতরণ বিপদতারিনী ব্রত পালনে মন্দিরে মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় ও দীর্ঘ লাইন সিলেট নগরীর কালীঘাটে অবৈধ ভারতীয় পণ্যের চোরাচালান: সাদ্দামের গোডাউন ঘিরে অভিযোগের তীর!  জাফলংয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোটি টাকার বালু-পাথর লুটপাট: নেপথ্যে ‘কালা মানিক’ সিন্ডিকেট মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা ইসকনের ৫৫ তম আন্তর্জাতিক রথযাত্রার শুভ সূচনা করলেন  ইজারা নিয়েও তাহিরপুরের ফাজিলপুর ঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ ইজারাদার রেজুয়ানের চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা-কারিগরি বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত: নতুন নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর উত্তর খুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রজিবুর রহমান মুহেল  মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব সম্মেলনে ‘কনফিডেন্স স্পার্ক’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশের জয় দাস রথযাত্রার শুভ লগ্নে-স্বাধীনতা দিবস উৎসব উদযাপন সমিতির ১৩ তম বর্ষ দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজোর শুভ সূচনা হলো।
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন

জাফলং সীমান্তে থেমে নেই লালামাটি এলাকায় মান্নান মেম্বার সিন্ডিকেটের চোরাচালান ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪১ Time View
Update : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

91

জাফলং সীমান্তে থেমে নেই লালামাটি এলাকায় মান্নান মেম্বার সিন্ডিকেটের চোরাচালান ব্যবসা

 

বিশেষ প্রতিবেদক:: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং লালামাটি এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি ও আলোচিত অভিযোগের পরও থামছে না চোরাচালান কার্যক্রম। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মান্নান মেম্বারের নেতৃত্বাধীন একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এই এলাকায় চোরাচালান ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

 

সূত্র জানায়, ভারত সীমান্ত ঘেঁষা লালামাটি এলাকা ব্যবহার করে নিয়মিতভাবে কম্বল, কসমেটিকস, চিনি, জিরা, কাপড়সহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য রাতের আঁধারে দেশে আনা হচ্ছে। এসব পণ্য স্থানীয় কিছু দোকান ও গুদামে মজুদ করে পরে বাজারজাত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই পুরো কার্যক্রমের নেপথ্যে রয়েছে মান্নান মেম্বার সিন্ডিকেট।

 

রাতের আঁধারে সীমান্ত ভেঙে কম্বল আনা: জাফলং লালমাটির ভাইরাল প্রশ্নের মুখে মান্নান মেম্বার

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একাধিকবার চোরাচালানের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে করে সিন্ডিকেট আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অনেকেই অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী হওয়ার কারণে অভিযুক্তরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

 

এ বিষয়ে প্রশাসনের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

 

এলাকাবাসীর দাবি, সীমান্ত এলাকায় স্থায়ীভাবে নজরদারি জোরদার করা এবং অভিযুক্ত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে চোরাচালান আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।

আগামী পর্বে–মান্নান মেম্বার ও তার ভাই লোকমানের চোরাচালানের রমরমা ব্যবসা

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ