শিরোনাম
সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে অ্যাওয়ার্ড অর্জন হারিছ আলী কে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জ সদর হাপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার, আটক ১ দোয়ারাবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণশুনানি সম্পন্ন। সুনামগঞ্জে সময় টিভি প্রতিনিধি হিমাদ্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের রাজস্ব আয় বাড়লে নাগরিক সেবা সম্প্রসারিত হয়: সিসিক প্রশাসক আহমদ আলী (লেখক ও গবেষক) সততা ও মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল ছাতকে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি রাজন মিয়া-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ   দোয়ারাবাজারে পরকীয়ার প্রেমে দেবর ভাবি কারাগারে একজন যুবকের গাঁজা চাষ, যুবক গ্রেফতার
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন

জৈন্তাপুরে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার:যেন দেখার কেউ নেই

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৬৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

138

জৈন্তাপুরে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার:যেন দেখার কেউ নেই

 

সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের মেদল হাওরের কুশি নদী, খেফা নদী ও পাবি জুড়ি নদীর উৎস মুখে বাঁধ দিয়ে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি অবৈধ ভাবে উন্মুক্ত জলমহাল থেকে জোরপূর্বক অবাধে মাছ শিকার করছে। এ বাঁধের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে,পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে মাছের অভয়ারণ্য। ফলে ব্যাহত হচ্ছে মাছের উৎপাদন।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর সিলেট তামাবিল মহাসড়ক থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে তিনটি নদীর উৎস মুখে এক্সেভেটর দিয়ে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এ বাঁধের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে। পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে মাছের অভয়ারণ্য।

 

নদী শুকিয়ে মাছ ধরায় মাছের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গতবছর ও দুর্বৃত্তরা এরকম বাধ দিয়ে মাছ ধরে ছিল। পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় নদীর বাঁধ অপসারণ করা হয়। কিন্তু এবছর মাছ ধরার বিষয়টি কতৃপক্ষকে অবহিত করা হলে রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ নিরব ভুমিকা পালন করছে।

বিষয়টি জৈন্তাপুর উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়। নদীর উৎস মুখে প্রভাবশালীরা উন্মুক্ত জলমহালে বেআইনি ভাবে বাঁধ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ আহরন করছে। ফলে এ নিয়ে স্হানীয়দের মধ্যে প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।

 

যেন দেখার কেউ নাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারের ফলে কৃষকের চলাচলের একমাত্র নদী পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গরিব মানুষ মরলে কার বা কি আসে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে। নিয়ম অনুসারে, প্রবহমান কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের বাঁধ, স্থায়ী অবকাঠামো বা অন্য কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। জলাশয়ে পানির প্রবাহ ও মাছের চলাচল বাঁধ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করলে শাস্তির বিধানও রয়েছে।

 

 

নদী পারের নিরীহ জেলে সম্প্রদায়ের মাছ ধরতে দিচ্ছে না। যার ফলে অসহায় জেলেদের কষ্টে দিনানিপাত করতে হচ্ছে।  নদীর উৎস মুখে বাধ দেওয়ার ফলে নিম্ন অঞ্চল শুকিয়ে গেছে।যার ফলে নিন্মঅঞ্চলের  কৃষিজীবি মানুষ,গবাদিপশু, হাসঁ মুরগী পশুপাখির সমস্যা হচ্ছে। দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টির সমাধানে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন স্হানীয়রা।

 

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ