শিরোনাম
সিলেটের সীমান্তে অপরাধের নয়া গডফাদার স্টেলিন তারিয়াং: নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রভাব, নেটওয়ার্ক ও দ্বৈত নাগরিকত্বের ঢাল জাফলংয়ে ইসিএ এলাকায় অবাধে পাথর-বালু লুটপাট: মান্না-দিলু সিন্ডিকেটের তাণ্ডব, পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে  হাওড়ার পিলখানায় হামিমের কারখানার হদিস, চলতো জামার ট্যাগের কাজ, পাঁচ দিন ধরে বন্ধ সাধারণ মানুষের স্বার্থে,সোনারপুরের উত্তর ও দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায়‌ বাজারে বাজারে অভিযান শাহপরাণে র‍্যাব ও জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযান: ১২৭৪ প্যাকেট নকল সিগারেট জব্দ, জরিমানা ৫০ হাজার চুনারুঘাটে সাংবাদিকের ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণের অভিযোগ: ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তোলপাড় সিলেট বাইপাস সড়ক দিয়ে রাতের আঁধারে ঢুকছে ভারতীয় অবৈধ পণ্য: পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ কানাইঘাটে আজিজুর হত্যা: র‍্যাব-৯-এর অভিযানে গ্রেফতার ১ ভাটির সুরে, বর্ষার ছন্দে: হাওরের বুকে ‘শব্দকথা হাওর বিলাস ২০২৬’ উদযাপন প্রশিক্ষণে দক্ষ যুবশক্তি তৈরি করতে কাজ দেশ যুব সংগঠন – আনিস রহমান
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন

সিলেট বাইপাস সড়ক দিয়ে রাতের আঁধারে ঢুকছে ভারতীয় অবৈধ পণ্য: পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ৪৬ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

51

সিলেট বাইপাস সড়ক দিয়ে রাতের আঁধারে ঢুকছে ভারতীয় অবৈধ পণ্য: পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ:: সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানা এলাকার বাইপাস সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ভারতীয় অবৈধ পণ্যের চালান নগরীতে প্রবেশ করছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আনা এসব পণ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে কিংবা জোগসাজশে শহরের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, এয়ারপোর্ট বাইপাস সড়ক দিয়ে আসা অবৈধ পণ্যের বড় একটি অংশ নগরীর সোবহানীঘাট ও কালিঘাটসহ বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্যের পরোক্ষ মদদ এবং সিলেট মহানগর বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কতিপয় স্থানীয় নেতাকর্মীর মধ্যস্থতায় এই অবৈধ বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, পণ্যবাহী প্রতিটি ডিআই ট্রাক নগরীতে প্রবেশের বিনিময়ে ২ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদাবাজি বা অবৈধ লেনদেন হয়। এই নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের পরই ট্রাকগুলো নিরাপদে নগরীর ভেতরে যাওয়ার সুযোগ পায়।

সরজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এয়ারপোর্ট থানার কিছু পুলিশ সদস্য, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার এক সদস্য এবং আম্বরখানা ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে এই প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি শিথিলতা এবং একটি প্রভাবশালী চক্রের কারণে দিন দিন সীমান্ত চোরাচালান ও অবৈধ পণ্যের আনাগোনা বাড়ছে, যা স্থানীয় বৈধ ব্যবসায়ীদের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ