শিরোনাম
৬৩ এতিম মেয়েকে জীবন সঙ্গী দিলো সিডস অব সাদাকাহ, :আনুষ্ঠানিকতায় বিশিষ্টজনের উপস্থিতি  নতুন নববর্ষের সকালে- দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পূজো দিতে ভক্তদের যনজোয়ার জাফলংয়ে কূপ থেকে দেশীয় পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ ভারতীয় সিএনজি আসছে বাংলাদেশ  হচ্ছে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন চক্রের এক সদস্য আটক জাফলংয়ে মুসলিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ: শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মানসম্মত শিক্ষা ও নকলমুক্ত পরীক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: -শিক্ষামন্ত্রী সিলেট,  রাজনগরের কুশিয়ারায় ১৫৬ কেজির বিশাল বাঘ মাছ, দেখতে ভিড় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে বাঙ্কার এলাকায় পাথর উত্তোলনের সময় গর্তের বালু ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। জুড়ী অঞ্চলের মাটি উর্বর,তাই জুড়ীকে কৃষি হাবে রূপান্তরে সরকারের উদ্যোগ করেছে সরকার –মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

বড়লেখায় মন্দিরে চুরির রহস্য উদঘাটন ৬ চোর গ্রেফতার, চোরাই মালামাল উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার / ৪৪০ Time View
Update : শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫

10

মোঃ জাকির হোসেন জুড়ী প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় দুটি মন্দিরে সংঘটিত চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। অভিযান চালিয়ে ছয়জন পেশাদার চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে মন্দির থেকে চুরি হওয়া বিভিন্ন পূজার সামগ্রী।

পুলিশ জানায়, গত ১২ জুন রাত থেকে ১৩ জুন ভোরের মধ্যে বড়লেখার পাখিয়ালা এলাকার শ্রী শ্রী উদ্ভব ঠাকুরের আখড়া মন্দির এবং ২৬ জুন রাত থেকে ২৭ জুন ভোরের মধ্যে দক্ষিণভাগ সার্বজনীন দেবস্থলী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। দুটি ঘটনায় বড়লেখা থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল)-এর দিকনির্দেশনায় বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে চুরি রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে প্রথমে দক্ষিণভাগ বাজারের রেললাইন এলাকা থেকে রুহেল আহমদ (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পরবর্তীতে আরও পাঁচজন—আবু তায়েব আহমদ সাজু (২৮), নুর হোসন (৪০), জাকির হোসেন (৩১), মোঃ আলাল মিয়া (৩৮) ও শাহ আলী (৪২)-কে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বড়লেখার মাধবগুল এলাকায় শাহ আলীর ভাঙারির দোকান ও অন্য আসামিদের বসতবাড়ি থেকে চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ১১টি পিতলের ঘট, ২টি কাসার ঘণ্টা, ২টি পুস্প থালি, ১টি পিতলের প্রদীপ, ৮টি কাসার থালা, ৫টি কাসার বাটি, ২ সেট চিপ কোষা এবং ১টি পিতলের কলসি।

এছাড়া চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টি কাটার, ২টি হেক্সো ব্লেড, ১টি হেমার, ৩টি ছেলাই রেঞ্জ, ৩টি হাতুড়ি, ২টি রডের টুকরা ও ১টি লাল রঙের জগও জব্দ করা হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ উদ্ধার হওয়া মালামাল সনাক্ত করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা চুরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছে।

পুলিশ জানায়, ধৃতরা পেশাদার অপরাধী এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। মন্দিরে চুরির ঘটনায় কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানির প্রমাণ মেলেনি। এটি নিছক চুরির উদ্দেশ্যে সংঘটিত অপরাধ বলে উল্লেখ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা।

শনিবার বিকেলে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন, বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লা ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ