শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

বহরগ্রাম-শিকপুর সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৭৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৫

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি:

বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ সড়কের সংযোগস্থল বহরগ্রাম-শিকপুর সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। জমি অধি:গ্রহণে স্থানীয়দের আপত্তির কারণে এই সেতুর ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট তিন উপজেলার লাখো মানুষ। এদিকে দ্রুত এই সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে বিয়ানীবাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বড়লেখা-বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জবাসীর সহজ যোগাযোগের জন্য কুশিয়ারা নদীর উপর বহরগ্রাম-শিকপুর সেতুর নির্মাণ কাজ ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী শুরু হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্বাবধানে ১৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রাক্কলিত এই প্রকল্পের জন্য জমি অধি:গ্রহণ করে সরকার। তবে সংশ্লিষ্ট জমি মালিকদের কোন ক্ষয়ক্ষতি প্রদান করা হয়নি। এতে ক্ষতিগ্রস্থ জমি মালিকরা সেতুর কাজ এগিয়ে নিতে আপত্তি জানান।

স্থানীয় সমাজকর্মী খালিকুর রহমান জানান, জমি অধি:গ্রহণের বিষয়টি সিলেটের জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছে। দ্রুত এর সূরাহা হওয়া প্রয়োজন।

সূত্র জানায়, এক সময়ের ব্যস্ততম সিলেট-গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার রোডের বহরগ্রাম-শিকপুর ফেরি দিয়ে এখন আর ছোট-বড় গাড়ি এপার-ওপার হয় না। প্রায় তিন কিলোমিটার দক্ষিণে চন্দরপুর-সুনামপুর সেতু হওয়ায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) কর্তৃপক্ষ যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাত দেখিয়ে ২০১৫ সালে হঠাৎ করে বহরগ্রাম-শিকপুর ফেরিঘাটটি বন্ধ করে দেয়। ফলে এ রুটে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আর নদীর পাড়ে নষ্ট হচ্ছে সরকারের কোটি টাকা মূল্যের পন্টুন। এখন এলাকার লোকজনের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছোট ডিঙি নৌকা।

এদিকে বহরগ্রাম-শিকপুর সেতু নির্মাণ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করার দাবিতে বিয়ানীবাজারে মানববন্ধন করেন সচেতন বিয়ানীবাজারবাসী। প্রবীন সাংবাদিক চৌধুরী দেলোয়ার হোসেন জীলনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে অংশ নেন মাথিউরা ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আলিম উদ্দিন, বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মঈন উদ্দিন, জিয়া উদ্দিন, সুজন বিয়ানীবাজারের সভাপতি এড. আমান উদ্দিন, বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজের সহকারি অধ্যাপক ফয়ছল আহমদ, বিয়ানীবাজার গণদাবি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জয়নুল ইসলাম, ব্যবসায়ী নজমুল ইসলাম ও প্রভাষক জহির উদ্দিনসহ আরো অনেকে।

প্রবাসী অধ্যুসিত বিয়ানীবাজার উপজেলাবাসীর সহজতর যোগাযোগের জন্য কুশিয়ারা নদীর উপর নির্মাণাধীন বহরগ্রাম-শিকপুর সেতুর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার আহবান জানিয়ে বক্তারা বলেন, সিলেটে বেশ কিছু সড়ক সম্প্রসারণ ও সংস্কার কাজ করতে দায়িত্বশীলদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ