শিরোনাম
সিলেট রেঞ্জের মধ্যে শ্রেষ্ট অফিসার হিসেবে সম্মাননাপত্র গ্রহন করেন দিরাই থানার ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম দোয়ারাবাজারে শিশুকে বলাৎকার, যুবক গ্রেফতার সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার থানার ওসি সাইফুলের উক্তি “”১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটে ২৫ সালে মৌলভীবাজারে৷,, গোয়াইনঘাটের ওসি ওমর ফারুক চতুর্থবারের মতো শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচিত ১০ কেজি গাঁজাসহ সিলেটে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার ৪ মাদক ব্যবসায়ী সিলেটে র‍্যাব-৯ এর অভিযান: দক্ষিণ সুরমা থেকে অনলাইন জুয়া চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জে উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবণের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য এড. নুরুল ইসলাম  র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেট থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রধান আসামি ইফাদ গ্রেপ্তার জৈন্তাপুর সীমান্তে চোরাচালানের বিশাল সিন্ডিকেট: ওসি ও দারোগাদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের দায়িত্ব গ্রহণ:
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন

হাওড়ার পিলখানায় হামিমের কারখানার হদিস, চলতো জামার ট্যাগের কাজ, পাঁচ দিন ধরে বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৬ Time View
Update : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

45

হাওড়ার পিলখানায় হামিমের কারখানার হদিস, চলতো জামার ট্যাগের কাজ, পাঁচ দিন ধরে বন্ধ

 

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ ২রা আগস্ট রবিবার, হাওড়ার পিলখানায় আটক হামিমের কারখানার হদিস পেল, ১১ হাজার টাকায় ভাড়া বাড়িতে জামার ট্যাগের কাজ চলত, তা আজ পাঁচ দিন বন্ধ, চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসলো। 

হাওড়ার পিলখানা ৭ নম্বর আলম মিস্ত্রি লেন এলাকার একটি বাড়ির দুটি ঘরে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল জামার ট্যাগ তৈরীর কাজ, জানা যায় এই কারখানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন হামিম এবং তার বাবা মইনুদ্দিন মন্ডল। 

স্থানীয় সূত্রে খবর প্রায় এগারো মাসের চুক্তিতে ওই বাড়ির দুটি ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন হামিম ও তার বাবা, মাসিক ভাড়া ১১০০০ টাকা, কারখানায় মূলত জামার তৈরির ট্যাগের কাজ চলতো, 

হামিম ও তাহার বাবা ছাড়া আরো এক মহিলা কর্মী কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের বক্তব্য গত ৪-৫ দিন ধরে কারখানাটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে, ভিতরে কোন কাজকর্ম হচ্ছে না, আরো অবাক করার বিষয় হলো , এলাকার লোকজন দুমাস আগে শেষবার হামিমকে কারখানায় দেখেছিলেন, তারপর থেকে গতিবিধি সম্পর্কে কেউ কিছু জানেন না, ঘটনার জেরে হঠাৎ করে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং হামিমের নিখোঁজ থাকার খবর ছড়াতেই গোটা আলম মিস্ত্রি লেন এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।।

প্রতিবেশীরা বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন , এই কারখানা আসলে কিসের ছিল, কেন হঠাৎ বন্ধ হল এবং হামিম এখন কোথায়? এইসব প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়, ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই খোঁজখবর শুরু করেছে, গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। এলাকার সাধারণ মানুষের মনে একটা আতঙ্ক দেখাও দিয়েছে। সকলের মনে সংশয় জেগেছে। 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ