বাহুবলে এনজিওতে ডাকাতি! র্যাব, পুলিশের যৌথ অভিযানে ০৪ ডাকাতসহ গ্রেফতার ৬, সরঞ্জাম উদ্ধার,
সাহেব আলী হবিগঞ্জঃ হবিগঞ্জের বাহুবলে ‘আশা’ এনজিওর মিরপুর শাখায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনায় জড়িত আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। একই অভিযানে ডাকাতি মামলার পলাতক আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় মোট ছয়জনকে আইনের আওতায় আনা হলো।
সমবার (২১ জুলাই) ভোর ৫টা ১০ মিনিটের দিকে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি টোলপ্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
মো. জুয়েল মিয়া (২৫): পিতা- আব্দুর রউফ, গ্রাম- পাচাউন খিলগাঁও, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার। শিলন মিয়া (৩০): পিতা- মোব্বাশির আলী, গ্রাম- নিয়াজপুর, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ। মো. মোক্তার (৩৫): পিতা- আমির মিয়া, গ্রাম- কুর্শি, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ। ইশতিয়াক আহমেদ তারেক (২২): পিতা- বদরুল আলম, গ্রাম- লামাতাশি, বাহুবল, হবিগঞ্জ।
র্যাব সূত্র জানায়, অভিযানে এই চারজনের পাশাপাশি ডাকাতি মামলার পলাতক আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত একটি ডিআই পিকআপ, বড় ৫ টুকরা রড এবং একটি জিআই পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৬ মে বাহুবল উপজেলার ইজ্জতনগরে অবস্থিত আশা এনজিওর মিরপুর শাখায় ৫-৬ জন মুখোশধারী ডাকাত হানা দেয়। তারা অফিসের কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সিন্দুকে থাকা ৪১ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ৭ হাজার ৯৮০ টাকাসহ মোট ৪৯ হাজার ৫৪৭ টাকা লুট করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এনজিওর সিনিয়র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার শেখ আহম্মদ আলী বাদী হয়ে বাহুবল মডেল থানায় একটি মামলা (পেনাল কোড ৩৯৫/৩৯৭ ধারা) দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর থেকেই র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এর আগে গত ২২ মে এই মামলায় আরও একজনকে গ্রেফতার করেছিল র্যাব। সর্বশেষ এই ছয়জনকে নিয়ে মোট পাঁচজনকে ডাকাতির ঘটনায় এবং অন্য দুজনকে পলাতক আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বাহুবল মডেল থানার পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।