শিরোনাম
সিসিকের ৮ ঘণ্টার চ্যালেঞ্জ জয়, : ঈদের ২ দিনে ২৫ হাজার পশু কোরবানি, ১৩শ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সহযোগিতায়  নগরবাসীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা সিসিক প্রশাসকের  লাউয়াছড়া বনাঞ্চলে তেলবাহী ট্যাংকারের ওয়াগন লাইনচ্যুতে সিলেটে সিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে উপবন এক্সপ্রেস   চিত্র পরিচালক অনিক দত্তের মরদেহ -শেষ যাত্রায় কেওড়াতলা মহাশ্মশানে উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী—ঈদ উৎসব পালিত হলো। কলকাতা ব্রিগেড মাঠে নগরীর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক পাঁচবিবি উপজেলাবাসীকে ঈদ- উল আজহার শুভেচ্ছা জানান ইউএনও—+কাশপিয়া তাসরিন মুসলিম সম্প্রদায়ের ঈদ-উল আযহায়– বাজারে ছাগলের দাম আগুন ঈদ- উল আজহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন গোয়াইনঘাট থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন সিসিক প্রশাসক ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত সিলেটের শাহী ঈদগাহ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের ঈদ শুভেচ্ছা
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হকার্স শেড  দ্রুত সংস্কার করে নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে- সিসিক প্রশাসক 

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৩ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

40

#ফুটপাতে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা পরিচালনায় যানজট সৃষ্টি হয়, ক্ষুণ্ন হয় নগরের সৌন্দর্য,

 

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া: ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত লালদিঘিরপাড় হকার্স মার্কেট এলাকার অস্থায়ী বাজার (হকার্স শেড) পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। রোববার বিকেলে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্ত শেডগুলো দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দেন। 

 

তিনি বলেন, সিলেট নগরের বিভিন্ন রাস্তা ও ফুটপাতে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা ব্যবসা পরিচালনা করেন। এতে যেমন যানজট সৃষ্টি হয়, তেমনি নগরের সৌন্দর্যও ক্ষুণ্ন হয়। এ সমস্যা সমাধানে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের জন্য লালদিঘিরপাড় হকার্স মার্কেটের খালি জায়গায় অস্থায়ীভাবে শেড নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় ব্যবসায়ীরা এখানে বিনা খরচে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং তাদের বিদ্যুৎ বিলও সিটি কর্পোরেশন বহন করছে।

 

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আকস্মিক ঝড়ে শেডগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ব্যবসায়ীদের কিছু মালামাল নষ্ট হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কালীঘাটের দিকে একটি বিকল্প রাস্তা বের করা এবং ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

নগর উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, সিসিকের নিজস্ব আয় অত্যন্ত সীমিত। নগরের মাত্র ৩০ শতাংশ বাড়ির মালিক হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করেন। এই আয় দিয়ে একটি আধুনিক নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই সকলকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান এবং ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।

 

গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার লক্ষ্যে তিনি নগরবাসীকে যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলার আহ্বান জানান তিনি।পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. মাহবুবুর রহমানসহ হকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ