শিরোনাম
সিলেট সিটি অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি পদ থেকে রাজন আহমেদ আরিয়ানের স্বেচ্ছায় অব্যাহতি।ব্যক্তিগত ব্যস্ততা ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ ছাতকে স্ত্রী হ’ত্যাকা’রী আমির আলী-কে সিলেট থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে  দোয়ারাবাজারে জঙ্গলে বটবৃক্ষের নিচে ‘আস্তানা’ ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক   মোবাইল ফোনে প্রেম: গভীর রাতে সুনামগঞ্জে নাবালক-নাবালিকাকে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় দিল পুলিশ গোয়াইনঘাটে মাদকবিরোধী ঐক্য পরিষদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত, ৭ সদস্যের বাস্তবায়ন কমিটি গঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউলদল জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন। সিলেটের সীমান্ত জনপদ জৈন্তাপুর সীমান্ত দিয়ে আসা কুটি কুটি টাকার চোরাচালান-মাদকের ভয়াল থাবা জৈন্তাপুরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার, থানায় মিথ্যা জিডি এবং হুমকি ও হত্যার ভয়ভীতি প্রদর্শন : ৩ জন নামীয় আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন সাংবাদিক সাজু  কানাইঘাটে সুরমা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন: জনমনে আতঙ্ক  জৈন্তাপুরে ‘পূর্ব দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন।
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন

বিজিবি সীমান্তে দেখতে পান না? দেখতে পায় শুধুমাত্র মিডিয়া কর্মীরা? জৈন্তাপুরে কোন চোরাকারবার নেই? যা হচ্ছে সিজার চুক্তির বিনিময়ে?

স্টাফ রিপোর্টার / ১১৭ Time View
Update : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

64

বিজিবি সীমান্তে দেখতে পান না? দেখতে পায় শুধুমাত্র মিডিয়া কর্মীরা? জৈন্তাপুরে কোন চোরাকারবার নেই? যা হচ্ছে সিজার চুক্তির বিনিময়ে?

 

বুঙ্গার জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে, লাশের উপর দিয়ে, ঘিলাতৈল, ফুলবাড়ী, যশপুর, গৌরীশঙ্কর, টিপরাখলা হয়ে ঐতিহাসিক গৌরবের মধামে উপজেলা প্রশাসনের নাগের ডগা দিয়ে বাজারে অবৈধ গরু, মহিষ। 

 

এসব গরু প্রতি ১হাজার, মহিষের জোড়া ৫ হজার টাকা, লাইন বাহিনীর মাধ্যমে দৈনিক আদায় কৃত অর্থ যাচ্ছে কার কাছে।

সাধারণ মানুষ সহ প্রশাসনকে কার্যক্রম দেখাতে একটি দুটি গরু কিংবা ৫টি আটকের নাটক মঞ্চায়ন করে হাজার দুই হাজার গরু প্রবেশ করার সুযোগ করে দেন। যেন সিজারের নামে ভিক্ষা আদায় করা হচ্ছে।

জৈন্তাপুর বাজারে প্রতিদিন শত শত গরু মহিষ বিক্রয় হয় তা উপজেলায় উধপাদিত ১দিনের মাত্র। তাহলে বাজারে প্রতিদিন এসব গরু কোথায় হতে আসে?

উল্লেখ্য সংশ্লিষ্টদের সহায়তায়, পায়ে হাটা টহল টিম, মোটরসাইকেল টহল টিম, ক্যাস্প বা ভিআইপি লাইন, বা বড় লাইনের মাধ্যমে বাজারে প্রবেশ করছে ভারতীয় চোরাচালানের গরু মহিষ।

কেউ এসব দেখেন না, শুধুমাত্র স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী বা সাধারণ মানুষ দেখতে পায়। বাকীরা কালো চশমা পরে হাঠেন। এই হল জৈন্তাপুরের চোরাচালান বানিজ্য।

 

অপর দিকে ডিবির হাওর, কেন্দ্রী ফায়ার সার্ভিসের সংলগ্ন কন্টাকটারের বাড়ীর পিছন হতে ডিআই গাড়ী যোগে প্রবেশ। সবকিছুই যেন সুপরিকল্পিত এক নেট ওয়ার্ক মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। দেখার কেউ নেই। এযেন লাশের উপর দিয়ে অবাধ চোরাচালান বানিজ্য চলছে, আর চলবে। কেউ তাদেরকে কিছুই করতে পারবে না। আহা সাধারণ জনগন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ