শিরোনাম
সিলেটে উদ্বোধনে সীমাবদ্ধ হাম রোগের টিকা কার্যক্রম ,হামেরউপসর্গে আরো তিন শিশুসহ ১৯ শিশুর মৃত্যু  বিছনাকান্দি সীমান্তে অপ্রতিরোধ্য চোরাচালান সিন্ডিকেট: নেপথ্যে দেলোয়ার-নজরুল-নুরু চক্র গোয়াইনঘাটের ১১নং মধ্য জাফলংয়ে”আব্দুল্লাহ-রিয়াজ সিন্ডিকেটের চোরাচালান ম্যানেজ’- খেলা-দৌরাত্ম কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরফিনে থামছে না পাথর লুট, রাতের আঁধারে সক্রিয় সংঘবদ্ধ চক্র শাহজালাল ( রহ:) মাজারের ওরসে প্রধানমন্ত্রী উপহার  বিজেপি কর্মীরা জয় শ্রী রাম বলায়, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ– ঘটনাস্থলে কেন্দ্র বাহিনী। সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের ছাতক উপজেলার জালালপুর এলাকায় বাসের ধাক্কায় সিএনজির চালকসহ দুই জন নিহত ও তিন জন আহত হয়েছেন আগুনে পুড়ে যাওয়া মামলাটি ধামাচাপা দিতে তদন্দকারী তদন্তকারী কর্মকর্তা মরিয়া হয়ে উঠার অভিযোগ উঠেছে  দোয়ারাবাজারে শ্বশুরবাড়িতে জামাতার রহস্যজনক মৃত্যু : স্ত্রী- শাশুড়ি আটক    সিলেট অলটাইম নিউজ ডটকমর উপদেষ্টা সানোয়ার আলী দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায়  ফুলেল শুভেচ্ছা 
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

বিজিবি সীমান্তে দেখতে পান না? দেখতে পায় শুধুমাত্র মিডিয়া কর্মীরা? জৈন্তাপুরে কোন চোরাকারবার নেই? যা হচ্ছে সিজার চুক্তির বিনিময়ে?

স্টাফ রিপোর্টার / ৯৮ Time View
Update : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

22

বিজিবি সীমান্তে দেখতে পান না? দেখতে পায় শুধুমাত্র মিডিয়া কর্মীরা? জৈন্তাপুরে কোন চোরাকারবার নেই? যা হচ্ছে সিজার চুক্তির বিনিময়ে?

 

বুঙ্গার জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে, লাশের উপর দিয়ে, ঘিলাতৈল, ফুলবাড়ী, যশপুর, গৌরীশঙ্কর, টিপরাখলা হয়ে ঐতিহাসিক গৌরবের মধামে উপজেলা প্রশাসনের নাগের ডগা দিয়ে বাজারে অবৈধ গরু, মহিষ। 

 

এসব গরু প্রতি ১হাজার, মহিষের জোড়া ৫ হজার টাকা, লাইন বাহিনীর মাধ্যমে দৈনিক আদায় কৃত অর্থ যাচ্ছে কার কাছে।

সাধারণ মানুষ সহ প্রশাসনকে কার্যক্রম দেখাতে একটি দুটি গরু কিংবা ৫টি আটকের নাটক মঞ্চায়ন করে হাজার দুই হাজার গরু প্রবেশ করার সুযোগ করে দেন। যেন সিজারের নামে ভিক্ষা আদায় করা হচ্ছে।

জৈন্তাপুর বাজারে প্রতিদিন শত শত গরু মহিষ বিক্রয় হয় তা উপজেলায় উধপাদিত ১দিনের মাত্র। তাহলে বাজারে প্রতিদিন এসব গরু কোথায় হতে আসে?

উল্লেখ্য সংশ্লিষ্টদের সহায়তায়, পায়ে হাটা টহল টিম, মোটরসাইকেল টহল টিম, ক্যাস্প বা ভিআইপি লাইন, বা বড় লাইনের মাধ্যমে বাজারে প্রবেশ করছে ভারতীয় চোরাচালানের গরু মহিষ।

কেউ এসব দেখেন না, শুধুমাত্র স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী বা সাধারণ মানুষ দেখতে পায়। বাকীরা কালো চশমা পরে হাঠেন। এই হল জৈন্তাপুরের চোরাচালান বানিজ্য।

 

অপর দিকে ডিবির হাওর, কেন্দ্রী ফায়ার সার্ভিসের সংলগ্ন কন্টাকটারের বাড়ীর পিছন হতে ডিআই গাড়ী যোগে প্রবেশ। সবকিছুই যেন সুপরিকল্পিত এক নেট ওয়ার্ক মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। দেখার কেউ নেই। এযেন লাশের উপর দিয়ে অবাধ চোরাচালান বানিজ্য চলছে, আর চলবে। কেউ তাদেরকে কিছুই করতে পারবে না। আহা সাধারণ জনগন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ