শিরোনাম
একবালপুর ও ওয়াটগঞ্জ থানায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী- সারপ্রাইজ ভিজিটে পুলিশের কাজকর্ম খতিয়ে দেখলেন দোয়ারাবাজারে তিন সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন। স্কুলশিক্ষককে গাছে বেঁধে নির্যাতন, মধ্যযুগীয় বর্বরতার অভিযোগ সিসিকের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশংসা# দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট হবে সিলেটে -স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সুনামগঞ্জের দিরাই বাসস্ট্রেশনে পুলিশের অভিযানে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে কামরুল হত্যা: দক্ষিণ সুরমা থেকে র‍্যাব-৯ এর হাতে ৪ আসামি গ্রেপ্তার মাধবপুরে কিশোরী অপহরণের প্রধান আসামি শাহপরাণে গ্রেপ্তার, ভিকটিম উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ সিলেটের বাবনা মোড় রেলগেইট এলাকা বিদ্যুৎহীন: গ্রাহকরা বিপাকে  এলাকার জনমনে ক্ষোভ মাদক ব্যবসার মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  দোকান উচ্ছেদের চেষ্টায় যুলীগ নেত দোহারে জমি দখলের চেষ্টা, গাছ কর্তন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন

দোয়ারাবাজারে তিন সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন।

নুরুজ্জামান দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ )প্রতিনিধিঃ / ২০ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

30

দোয়ারাবাজারে তিন সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন।

 

নুরুজ্জামান দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ )প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামে তিন সন্তান ও সংসার ফেলে প্রেমিক ফয়েজ ওরফে খয়েজ মিয়ার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে দুই দিন ধরে অনশন করছেন এক গৃহবধূ। অনশনরত গৃহবধূর নাম মাহমুদা আক্তার। তিনি একই ইউনিয়নের রাঙাউটি গ্রামের সোহেল মিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে উত্তর কলাউড়া গ্রামের ফয়েজ মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি বিষয়টি স্বামী সোহেল মিয়া টের পেলে স্ত্রী মাহমুদার সঙ্গে তাঁর তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। এরই একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে মাহমুদা আক্তার নিজের তিন সন্তান ও সংসার ফেলে সরাসরি ফয়েজের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন।

বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন এবং তাঁকে বিয়ের দাবি জানাচ্ছেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্বামী সোহেল মিয়া জানান স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের কারণে তাঁদের পরিবারে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল। অন্যদিকে, মাহমুদা আক্তার প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে এবং সামাজিক মাধ্যমে যেন তা ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য অনুরোধ জানান। অভিযুক্ত ফয়েজ (উরুফে খয়েজ) মিয়ার বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ঘটনার সুরাহা করতে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ