শিরোনাম
ঢাকাস্থ জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনেন নির্বাচনেসর্বোচ্চ ভোটে সদস্য নির্বাচিত হলেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে বিদেশে পাঠানোর নামে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ: র‍্যাব-৯ এর অভিযানে প্রতারক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার জৈন্তাপুরে ইজারার নামে বেপরোয়া চাঁদা আদায় ও নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে বাইরাখেল গ্রাম সঙ্গীত, নৃত্য ও শিল্পকলা শুধু বিনোদন নয়, অনেকের জন্য পেশা – সিসিক প্রশাসক    #পরিচ্ছন্নতায় নাসির উদ্দিনকে অনুসরণ করার আহ্বান # মানুষের প্রতি সম্মান জানানো যেমন সমাজের দায়িত্ব, তেমনি তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করাও কর্তব্য + বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিদ্যালয় পরিদর্শন: বিতর্কিত মন্নান মেম্বারের উপস্থিতি নিয়ে তোলপাড় ৫৫ বছরের খালুর লালসায় ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী : টাকার বিনিময়ে গর্ভপাত, ধামাচাপার চেষ্টা বাংলাদেশী কিন্নর হিজড়া গুন্ডা জেহাদীদের প্রতিবাদে মহা মিছিল ও থানায় ডেপুটেশন  সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ২৩টি ব্যাংকের সমন্বয়ে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত সিলেট জেলা প্রশাসনের ঘোষিত “এসি ল্যান্ড অফ দ্য মান্থ “প্রণয় বিশ্বাস এখন কুলাউড়ায় জনবান্ধব ভূমি সেবার ঘোষণা 
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন

জৈন্তাপুরে ইজারার নামে বেপরোয়া চাঁদা আদায় ও নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে বাইরাখেল গ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার / ৪২ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

52

জৈন্তাপুরে ইজারার নামে বেপরোয়া চাঁদা আদায় ও নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে বাইরাখেল গ্রাম

 

বিশেষ প্রতিনিধি, জৈন্তাপুর (সিলেট): সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় ইজারার শর্ত তোয়াক্কা না করে একচ্ছত্র চাঁদাবাজি এবং অনিয়ন্ত্রিত বালু-পাথর উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে একদল প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। সরকারিভাবে নির্ধারিত ১,০০০ টাকা ইজারা ফি-র জায়গায় নির্দিষ্ট একটি পয়েন্টে জোরপূর্বক ২,০০০ টাকা করে আদায় করছে চক্রটি। একই সাথে অবৈধ উত্তোলনের ফলে উপজেলার বাইরাখেল গ্রামের বসতবাড়ি, স্কুল, মসজিদ ও মাদ্রাসা নদীতে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, বাইরাখেল গ্রাম সংলগ্ন নদী এলাকায় প্রকাশ্যে এই চাঁদাবাজি ও নদীর তলদেশ ধ্বংসের তাণ্ডব চলছে। চক্রটির মূল নেতৃত্বে রয়েছে বিলাল আহমেদ (উর্ফে মড়া), এখলাছ উদ্দিন, সোহেল আহমদ, রহমান মিয়া, হারিছ আহমদ, শাহিন আহমদ, রাসেল আহমদ, মিসবাহ উদ্দিন, খলিলুর রহমান ও ফয়জুল ইসলাম। স্থানীয়দের দাবি, এই প্রভাবশালী সিন্ডিকেটটি সাধারণ পরিবহন ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে দ্বিগুণ হারে চাঁদা আদায় করছে।

এদিকে নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার ও গর্ত করে বালু-পাথর তোলার ফলে বাইরাখেল গ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। প্রতিনিয়ত নদীর গর্তে বিলীন হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়। নদীভাঙনের কবলে পড়ে ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন শতাধিক পরিবার।

অভিযোগে আরও জানা যায়, পার্শ্ববর্তী গুয়াবাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের পক্ষ থেকে একাধিকবার এসব অবৈধ কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হলেও তা স্থায়ী হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, বিজিবি বিওপিকে অনৈতিক সুবিধা ও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে চক্রটি তাদের এই অবৈধ কাজ ও চাঁদাবাজি অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বাইরাখেল গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা অবিলম্বে এই অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের গ্রামকে নদীভাঙনের হাত থেকে বাঁচাতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Recent Comments

No comments to show.