শিরোনাম
দোয়ারাবাজারে ধর্ষণের অভিযোগে জার্মানি সমর্থক পুলিশের জালে আটক। গোয়াইনঘাটে  স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ চুরির অভিযোগ,আদালতে মামলা দায়ের। আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে গোয়াইনঘাটে মাদকবিরোধী ঐক্য পরিষদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুরে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান সিলেট শাহী ঈদগাহ মাদরাসার নাজিমের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণের দাবি জৈন্তাপুর সীমান্তের চোরাচালানের অ ভি যোগ, কোটি টাকার চালান জব্দ: সেলিমকে নিয়ে কী বললেন যুবদল সভাপতি ও প্রশাসন সিলেটের ছড়ারপারে আস্তানা গাড়া চোরাচালান ও টেন্ডার বাণিজ্যের মূল হোতা সনির অপরাধ সাম্রাজ্যের ভিত এবার কাঁপতে শুরু করেছে ছাতকে মোবাইল কোর্টের অভিযান  ৪ প্রতিষ্ঠান-কে জরিমানা  বগুলা রোছমত আলী রামসুন্দর কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন

গোয়াইনঘাটে  স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ চুরির অভিযোগ,আদালতে মামলা দায়ের।

স্টাফ রিপোর্টার / ৪৯ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

54

গোয়াইনঘাটে  স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ চুরির অভিযোগ,আদালতে মামলা দায়ের।

 

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় শশুর বাড়িতে এক গৃহবধূ কর্তৃক চুরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের নিজ ধরগ্রামের এই ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগী স্বামীর পরিবারের দাবি,চুরির বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এবং শশুর বাড়ির লোকজনকে হয়রানি করতে উল্টো মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন ওই গৃহবধূ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায় আনুমানিক ৬ বছর আগে একই গ্রামের বাসিন্দা ইকবাল হোসেন (২৫)-এর সাথে রাইমা বেগম (২২)নামের ওই নারীর বিয়ে হয়। শুরুর দিকে দাম্পত্য জীবন সুখের হলেও পরবর্তীতে রাইমার পিত্রালয়ের অভাব-অনটনকে কেন্দ্র করে সংসারে কলহ শুরু হয়।

স্বামী ইকবাল হোসেনের অভিযোগ, পিত্রালয়ে সহযোগিতা করার জন্য রাইমা দীর্ঘদিন ধরে শশুর বাড়ি থেকে চাউল, ডাল, লবণ,মরিচসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং নগদ অর্থ লুকিয়ে লুকিয়ে বাবার বাড়ি পাঠাতেন।

দফায় দফায় সালিশ ও চুরির অভ্যাস ইকবাল হোসেন জানান,চুরি করতে গিয়ে রাইমা এর আগেও বেশ কয়েকবার হাতেনাতে ধরা পড়েছেন।এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দফায় দফায় ঘরোয়া সালিশ-বৈঠক হয়,যেখানে রাইমা ও তার বাবা বারবার ক্ষমা চান।লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি তখন সামাজিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি আরও জানান, চুরির অভ্যাস পরিবর্তন না করায় ২০২২ সালের দিকে রাইমা প্রায় ৩ মাস বাপের বাড়িতে ছিলেন।পরে একদিন সন্ধ্যায় আকুতি-মিনতি করে এবং সন্তানের দোহাই দিয়ে শশুর-শাশুড়ির পা ধরে ক্ষমা চেয়ে পুনরায় সংসারে ফেরেন।কিন্তুু কিছুদিন পর আবারও একই কাণ্ড শুরু করলে মা-বাবা তাদেরকে সংসার থেকে ভিন্ন করে দেন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে ইকবাল জানান,গত কয়েকদিন আগে তিনি তার মাকে নিয়ে গোয়াইনঘাট হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যান। তখন বাড়িতে রাইমাসহ তার অপর দুই ভাইয়ের স্ত্রীরা ছিলেন। শাশুড়ি ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার সময় তার স্বর্ণের কানের গহনা ঘরের ড্রয়ারে রেখে গিয়েছিলেন।

হাসপাতাল থেকে ইকবাল ও তার মা বাড়ি ফেরার পরপরই রাইমা বেগম তার বাপের বাড়ি যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো শুরু করেন।তার এমন আচরণে সন্দেহ হলে ইকবাল তাকে আটকে রাখার চেষ্টা করেন।এরই মধ্যে তার মা ড্রয়ারে গহনা না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

স্বর্ণের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে রাইমা প্রথমে অস্বীকার করেন।পরে বারবার জানতে চাইলে তিনি দুই বরি স্বর্ণ নিয়ে ঘর থেকে চিৎকার দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান,এবং খাল পার হওয়ার সাথে সাথে রাইমার মা এবং ভাই মিলে তাকে আগলে নেন তাদের বাড়িতে।

নিজের মাথা ফাটিয়ে মিথ্যা মামলার ফাঁদ!ভুক্তভোগী পরিবার জানায়,গহনা ফেরত চেয়ে বিষয়টি মীমাংসার জন্য রাইমার বাবা-মাকে খবর দিলে তারা মিমাংসার জন্য আসেন না,এই ঘটনায় আমরা আদালতে মামলা করেছি।

স্বামী ইকবালের অভিযোগ:

“নিজের অপরাধ ঢাকতে এবং আমাদের গহনা ফিরিয়ে না দেওয়ার জন্য রাইমা হাসপাতালের চিকিৎসাপত্র দেখিয়ে আমার ও আমার পরিবারের নিরপরাধ লোকজনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।আমরা এই মিথ্যা মামলা ও হয়রানি থেকে মুক্তি চাই।”

এই ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ