আমেরিকা থেকে প্রেরিত মোবাইলের দাম ২৫ হাজার টাকা, উৎকুচ দাবী ৬৫ হাজার টাকা
স্টাফ রিপোর্টার:: বাংলাদেশী বংশদ্ভোত আমেরিকান নাগরিক খন্দকার শাহীন আহমদ গত ৭ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি তারিখে একটি স্যামসঙ এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ক্রয় করে মৌলভীবাজার শহরের শমসের নগর রোডের এ.বি. ব্যাংক পিএলসি’র মি. রহমান বরাবর ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসে পার্সেল প্রেরণ করেন| পার্সেলটি কুরিয়ার সার্ভিস যোগে ঢাকায় পৌছার পর গত ২৩ এপ্রিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাস্টমস হাউজে আটকে দেয়া হয়। মোবাইলের আনুমানিক মূল্য ২৫ হাজার টাকা। ডিএইচএল পার্সেল ট্রাকিং কোড : ২৪৬৪৯৪৩৪৩৪।
কাস্টমস হাউজে পার্সেলটি আটকে দেয়ার খবর জানতে পেরে খন্দকার শাহীন আহমদ বিমান বন্দরের কাস্টমস হাউজের +৮৮০ ২-৮৯০১৪৯২ না¤^ারে নিউইয়র্ক থেকে ফোন মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। কাস্টমস হাউজ থেকে ফোনের মাধ্যমে নিউইয়র্কে খন্দকার শাহীনের কাছে ৬৫ হাজার টাকা উৎকুচ দাবী করা হয়। তিনি এই টাকা পরিশোধ না করায় গত ২ মাস ধরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাস্টমস হাউজে মোবাইল পার্সেলটি আটকে দেয়া হয়েছে।
কাস্টমস হাউজ থেকে দাবী করা ৬৫ হাজার টাকা ˆবধ আইনী প্রক্রিয়ার অংশ না-কি, ঘুষ দাবী করা হয়েছে, বিষয়টি আমেরিকা প্রবাসী খন্দকার শাহীন বাংলাদেশ সরকারের কাছে জানতে চান।
প্রবাসী শাহীন বলেন, ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসটি জার্মানীর একটি প্রতিষ্ঠান এ প্রতিষ্ঠানের কাছে তিনি বার বার যোগাযোগ রক্ষা করে ঢাকার কাস্টমস হাউজে আটকে থাকা পার্সেলটি ছাড়াতে না পেরে দুঃখ পান। শাহীন খন্দকার বলেন, মোবাইল পার্সেলটি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কোন বস্তু নয়। এটি একটি ˆবধ উপহার। যা দেশের আত্মীয়কে মোবাইলটি দেয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ঢাকা কাস্টমস হাউজের উৎকুচ দাবী করার বিষয়টি ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসকে জানানো হয়।