শিরোনাম
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সাথে বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ  দোয়ারাবাজারে জমি না পেয়ে শ্বশুরকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩ # সিলেটে মৎস্য চাষে উপযোগী ২৫ হাজার পুকুরের বিপরীতে চাষাবাদ হচ্ছে ৫ হাজার পুকুরে #  খাল ও জলাশয়ের দুই পাশে গাছ লাগানো বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বৃক্ষরোপণকে যুক্ত করা সহ পরিবেশ রক্ষায় পরিকল্পিতভাব বৃক্ষরণের তাগিদ# নিজের এলাকার জলাশয়ে স্বাবলম্বী হবে স্থানীয় তরুণরা’ — কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী চার নম্বর ডেকারস লেনের একটি তিনতলা বাড়ির অর্ধেক অংশ হুড় মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো গোয়াইনঘাটে  বিচার চাইতে গিয়ে প্রাণ দিলেন বাবা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় যাওয়াই হলো কাল গোয়াইনঘাটে সোনারহাট বিজিবি ক্যাম্পের কাছে ড্রেজার দিয়ে বালু তোলার প্রস্তুতি, স্থানীয়দের উৎকণ্ঠা জৈন্তাপুরে শ্রমিক লীগ নেতা ‘ডেভিল’ জাবেদের বিরুদ্ধে চোরাচালানের ‘লাইন বাণিজ্য’ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ দোয়ারাবাজারে তিন সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন

সদাগরকান্দি গ্রামে সালিশকে কেন্দ্র করে ৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের অভিযোগ, এলাকাজুড়ে আলোচনা

স্টাফ রিপোর্টার / ১১৪ Time View
Update : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

205

সদাগরকান্দি গ্রামে সালিশকে কেন্দ্র করে ৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের অভিযোগ, এলাকাজুড়ে আলোচনা

 

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি :: নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি গ্রামে একটি নারী–পুরুষ সংশ্লিষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে ৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ থেকে ৪ দিন আগে সদাগরকান্দি উত্তরপাড়া এলাকায় প্রবাসী ফরিদ মিয়ার কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে মোল্লা বাড়ির বিদেশ ফেরত বেলায়েত মিয়াকে আটক করে পরবর্তীতে একটি সালিশ বসানো হয়। ওই সালিশে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ তোলা হয় বলে জানা গেছে। তবে এ অভিযোগকে সাজানো ঘটনা হিসেবে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রবাসী ফরিদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। তার দাবি, বেলায়েত মিয়া তার কাছে পাওনা টাকা চাইতে গিয়েছিল, কিন্তু ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে একটি পক্ষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

অন্যদিকে, সালিশের মাধ্যমে উভয় পক্ষের ওপর মোট ৭ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ওই অর্থ পরবর্তীতে গ্রাম্য প্রভাবশালী ও সালিশে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে বণ্টনের পরিকল্পনা ছিল।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সালিশে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সালিশে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়—

১. খুরশিদ আলম (পিতা: শামসু মিয়া), খান্নাবাড়ি

২. মোশারফ হোসেন সাগর (স্থানীয় বিএনপি নেতা)

৩. রশিদ মেম্বার, উত্তরপাড়া

৪. রবিউল, উত্তরপাড়া

৫. বাচ্চু মিয়া, পূর্বপাড়া

৬. কাসেম মেম্বার, পূর্বপাড়া

৭. আক্তার মোল্লা, মোল্লা বাড়ি

সহ আরও অনেকে।

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন এটি একটি পারিবারিক ও অর্থনৈতিক বিরোধের ফল, আবার কেউ মনে করছেন ঘটনাটিকে বাড়িয়ে দেখিয়ে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী, যাতে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ