শিরোনাম
হরিরামপুরে বয়ড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত । গোয়াইনঘাটে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন এজাহার ভুক্ত আসামি গ্রেফতার ৮ ভোলায় গ্রাম বাংলা জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় ক্রীড়া উৎসব  কানাইঘাটে থানার দালাল সফিরের ক্ষমতার বাহাদুরি গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন- গোয়াইনঘাটে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া ইতিহাসে অমর. সীমিত আয়ের মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন

শনিবার (৬ ডিসেম্বর ২০২৫) ছাতক মুক্ত দিবস

স্টাফ রিপোর্টার / ৭৫ Time View
Update : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

শনিবার (৬ ডিসেম্বর ২০২৫) ছাতক মুক্ত দিবস

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৯৭১ সালের এ দিনে ছাতক শহর শত্রুমুক্ত হয়েছিল। মুক্তিবাহিনীর তীব্র প্রতিরোধের মুখে ওই দিন পাক-হানাদার বাহিনী পিছু হটে ছাতক ছাড়তে বাধ্য হলে হানাদার মুক্ত হয় ছাতক। মুক্তিযোদ্ধাদের দৃঢ মনোবল ও সাহসিকতার কাছে পরাস্থ হয়ে পাক-হানাদার বাহিনী পিছু হটে ঝাওয়া ব্রীজ ও গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় চলে গেলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ছাতক শহরকে হানাদার মুক্ত ঘোষণা করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

 

ছাতকের সিমেন্ট কারখানা ও নোয়ারাই এলাকা ছিল পাকসেনাদের দখলে। ১৯৭১ সালে নভেম্বরের প্রথমদিকে নোয়ারাই এলাকায় পাকবাহিনীর সাথে তুমুল যুদ্ধ হয় মুক্তিযোদ্ধাসহ যৌথ বাহিনীর।

 

যৌথবাহিনীর তীব্র প্রতিরোধের মুখে পিছু হটে পাকসেনারা। এসময় মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে চলে আসে নোয়ারাই এলাকা। তবে বেশী সময় নোয়ারাই এলাকায় অবস্থান করতে পারেনি মুক্তিযোদ্ধারা। রণ কৌশলগত কারণে তখন মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হঠে। এ সময় পাকবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধে নোয়ারাই গ্রামের অন্তত ৩০ জন মানুষ হতাহত হন।

 

মুক্তিযুদ্ধের ৫নং (বাঁশতলা) সেক্টর হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে পরিচালিত যুদ্ধে ডিসেম্বর মাসের প্রথম থেকেই বিজয়ের সু-বাতাস বইতে শুরু হয়। ৫ ডিসেম্বর ছাতকের সুরমা নদীর উত্তর পার জয়নগর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা শক্তিশালী অবস্থান নেয়।

 

এ সময় পাক-হানাদার বাহিনীর অবস্থান ছিল নোয়ারাই ও ছাতক সিমেন্ট কারখানা এলাকায়। বিনা প্রতিরোধে ৬ ডিসেম্বর রাত এগারো টার দিকে ছাতক শহর ছেড়ে ঝাওয়া ব্রীজ এলাকায় অবস্থান নেয় হানাদার বাহিনী।

 

ছাতক-সিলেট সড়কের ঝাওয়া ব্রীজ এলাকায় অবস্থান নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় পাক-বাহিনী। পরে ঝাওয়া ব্রীজ থেকে গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় অন্যান্য পিছু হটা হানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দেয় তারা।

 

ওই দিন বিকেলে মুক্তিবাহিনীর সমর্থনে ভারতীয় মিত্র বাহিনী ছাতক সিমেন্ট কারখানার সুরমা নদীর পারে অবস্থান নেয়। হানাদার মুক্ত হয় ছাতক।

 

প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর ছাতক মুক্ত দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করে আসছে ছাতক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।

 

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আজ ছাতক মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ