শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন

বিশ্বম্ভরপুরে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত হওয়ার পরও রমিজ মাষ্ঠারের দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহন থাকায়,ত্যাগীদের ক্ষোভ প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৩ Time View
Update : বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপিতে শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে দল থেকে বহিস্কৃত সৈয়দ রমিজ উদ্দিন মাষ্টারকে বহিস্কার করা হলেও তিনি উপজেলা বিএনপির আহবায়কের ছত্রছায়ায় এখনো দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশগ্রহন করায় দলের ত্যাগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই রজিম উদ্দিন মাষ্ঠার বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সফর আলীর সাথে ছিল গভীর সখ্যতা। তৎকালীন সরকারের আমলে তিনি নিয়েছেন অনেক অনৈতিক সুযোগ সুবিধা।

তাছাড়া রমিজ উদ্দিন মাষ্ঠারের তার বড়ভাই সৈয়দ জসিম উদ্দিন,ভাতিজা আকরাম হোসেন ও ছেলে জাকির হোসেন আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এখন তারা রমিজ উদ্দিন মাষ্ঠারের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়ে দলবদলের খেলায় মেতে উঠেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের।

তারা জানান এই বিএনপি নামধারী লোকজন যখন যে দল ক্ষমতার মসনদে বসে ঠিক সেই সময়টাতে তারা সেই দলের লোক সেজেঁ সরকারের বিভিন্ন কাজকামে সুবিধা নিয়ে থাকেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর আবারো শুরু হয় নামাংঙ্কিত ব্যাক্তিদের দলবদলের কৌশল। তাদের দলবাজিঁ ও দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ পেয়ে গত ২৪/০৭/২০২৪ সালে রমিজ উদ্দিন মাষ্ঠারকে বিএনপি থেকে বহিস্কার করা হয় এবং বিএনপির সকল দলীয় কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার ও নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্ত কে শোনে কার কথা,তিনি আবারো বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপির রাজু আহমদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচীর পাশাপাশি সামাজিক অনুষ্টানে ও তাদের এক সাথে দেখা যায় বলে তারা জানান। তারা মনে করেন তারা পুলটিবাজ দল বদলের খেলায় মগ্ন থাকেন তাদের দিয়ে আর দল চালানো সম্ভব না। তাদেরকে দল থেকে যেহেতু বহিস্কার করা হয়েছে তারা দলীয় কোন ধরনের কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করা মানে ত্যাগীদের অমূল্যায়ণ করার সামিল। অবিলম্বে এই সমস্ত সুবিধাভোগীদের কার্যক্রম বিষয়ে দল কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান। এ ব্যাপারে সৈয়দ রমিজ উদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক রাজু আহমদ জানান,আমার সাথে দলীয় কোন কর্মসূচীতে এইসব লোক যাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। আমি দলীয় নির্দেশনার বিপক্ষে অবস্থানকারী কাউকে সমর্থন করিনা। ##

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ