শিরোনাম
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে চেক, কার্ড ও হুইল চেয়ার বিতরণ বিপদতারিনী ব্রত পালনে মন্দিরে মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় ও দীর্ঘ লাইন সিলেট নগরীর কালীঘাটে অবৈধ ভারতীয় পণ্যের চোরাচালান: সাদ্দামের গোডাউন ঘিরে অভিযোগের তীর!  জাফলংয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোটি টাকার বালু-পাথর লুটপাট: নেপথ্যে ‘কালা মানিক’ সিন্ডিকেট মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা ইসকনের ৫৫ তম আন্তর্জাতিক রথযাত্রার শুভ সূচনা করলেন  ইজারা নিয়েও তাহিরপুরের ফাজিলপুর ঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ ইজারাদার রেজুয়ানের চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা-কারিগরি বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত: নতুন নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর উত্তর খুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রজিবুর রহমান মুহেল  মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব সম্মেলনে ‘কনফিডেন্স স্পার্ক’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশের জয় দাস রথযাত্রার শুভ লগ্নে-স্বাধীনতা দিবস উৎসব উদযাপন সমিতির ১৩ তম বর্ষ দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজোর শুভ সূচনা হলো।
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন

কয়রায় কপোতাক্ষ নদের বাঁধে ফাটল, আতঙ্কে স্থানীয়রা

স্টাফ রিপোর্টার / ২১১ Time View
Update : শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫

104

খুলনা প্রতিনিধি:

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে জোয়ারের কারণে কয়রা উপজেলার হরিণখোলা গ্রামে কপোতাক্ষ নদের বাঁধ ভাঙ্গার আশংকা দেখা দিয়েছে। ফলে ভাঙন ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে মিলে স্থানীয়রা কাজ করছে। কয়রা উপজেলার হরিণখোলা গ্রামে কপোতাক্ষ নদের তীরে জোয়ারের পানির ধাক্কায় ভোরে বেড়িবাঁধের কিছু অংশের স্লাপ ভেঙে যায় এবং ফাটল ধরে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং আশপাশের ফসলি জমি ও মাছের ঘের ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার রাতে অস্বাভাবিক উচ্চতায় পানি আসে। পরদিন ভোরে পানি নামতে শুরু করলে হরিণখোলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী বেড়িবাঁধে বড় ধরনের ফাটল দেখা যায়। ধস ঠেকাতে নিজেরাই কাজ শুরু করেছি। স্থানীয় আল শাহরিয়ার বলেন, রাতের জোয়ারের পানির ধাক্কায় বাঁধের অনেক অংশে ফাটল ধরে। জিও ব্যাগ দিয়ে এবং রিং বেধে ভাঙন ঠেকানোর কাজ চলছে। নইলে রাস্তাসহ নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মনি শংকর রায় জানান, ভাঙন ঠেকাতে রিং বাঁধ বেঁধে মোটামোটি ভাঙন আটকানো হয়েছে। তবে রাস্তা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এখনও ভাঙন ঠেকাতে কাজ চলছে। সকলের উদ্যোগে এ বাঁধ টেকসই করতে স্থায়ী সংস্কার প্রয়োজন। খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে নিম্নচাপের কারণে অস্বাভাবিক জোয়ার থাকায় কিছু অংশে ফাটল দেখা দেয়। স্থানীয়রা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, আপাতত জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে স্থায়ী সংস্কারকাজ শুরু হবে। কয়রা উপজেলার নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস বলেন, বাঁধ এখনো ভেঙে যায়নি। তবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন ঠেকাতে কাজ করছে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ