শিরোনাম
সুনামগঞ্জের ছাতকে পু’লি’শের অ’ভি’যানে বিভিন্ন মা’ম’লার ৪ আ’সা’মি গ্রে’ফ’তার সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সী’মা’ন্তে  নিঃস’ঙ্গ এক বার’কি শ্রমি’কের মৃ’ত্যু জৈন্তাপুরে ডিবি পুলিশের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, নৌপথে সক্রিয় রুমনসহ একটি চক্র নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উ’দ্ধা’রে সহায়তার আহ্বান প্রতিকার চেয়ে বাঁশতলায় মানববন্ধন, ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দোয়ারাবাজারে সরকারি কালভার্ট বন্ধ করে জলাবদ্ধতা, ঘরে ঢুকছে পানি । অভিনেতা রাহুলের স্মরণে- ইস্টবেঙ্গল মাঠে প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে- ট্রিবিউট ম্যাচ ২০২৬ ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার-৩ সিলেটে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন

উলিপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙ্গন রোধে মানববন্ধন এলাকাবাসীর

স্টাফ রিপোর্টার / ১৭৪ Time View
Update : শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫

72

কুড়িগ্রাম  প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নে দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাঙন রোধে স্থানীয়দের আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ মে) দুপুরে মোল্লারহাট বাজারসংলগ্ন ভাঙনকবলিত এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার কয়েকশ মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভাঙনের শিকার কৃষক হাকিমুদ্দিন ফকির, বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবলু মিয়া, ৪নং ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ড সদস্য জলিল মণ্ডল, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব আরিফ মণ্ডল, ডা. আমজাদ আলী, ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মালেক প্রমুখ।

বক্তারা জানান, গত দুই বছরে দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাঙনে বালাডোবা, রসুলপুর, সরকার পাড়া, উত্তর বালাডোবা, মশালের চর, ব্যাপারীপাড়াসহ একাধিক গ্রামে অন্তত এক হাজার বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে বিলীন হয়েছে প্রায় তিন শতাধিক একর আবাদি জমি ও একাধিক গ্রামীণ সড়ক।

ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে রসুলপুর মারকাজ জামে মসজিদ, আলহাজ্ব রোস্তম আলী নূরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসা, ঈদগাহ মাঠ, বেগম নুরুন্নাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খুদির কুটি উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও মোল্লারহাট বাজার সংলগ্ন কড্ডার মোড়। বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পুরো ইউনিয়ন নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয়রা সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ