শিরোনাম
কানাইঘাটে সুরমা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন: জনমনে আতঙ্ক  জৈন্তাপুরে ‘পূর্ব দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট নগরীর কাস্টঘরে প্রশাসনের অ ভি যান” অধরাই মা দক গডফাদাররা, হয়রানির শিকার নিরীহ পথচারী ও ব্যবসায়ী! গোয়াইনঘাটে হামলা-চাঁদাবাজির অভিযোগে আলিম উদ্দিন সুনামগঞ্জের ছাতকে পু’লি’শের অ’ভি’যানে বিভিন্ন মা’ম’লার ৪ আ’সা’মি গ্রে’ফ’তার সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সী’মা’ন্তে  নিঃস’ঙ্গ এক বার’কি শ্রমি’কের মৃ’ত্যু জৈন্তাপুরে ডিবি পুলিশের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, নৌপথে সক্রিয় রুমনসহ একটি চক্র নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উ’দ্ধা’রে সহায়তার আহ্বান প্রতিকার চেয়ে বাঁশতলায় মানববন্ধন, ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দোয়ারাবাজারে সরকারি কালভার্ট বন্ধ করে জলাবদ্ধতা, ঘরে ঢুকছে পানি ।
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন

শান্তিগঞ্জে আগুনে পুড়ে ৫টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছেন

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪৭ Time View
Update : সোমবার, ৫ মে, ২০২৫

63

সেলিম মাহবুব,ছাতকঃ

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের পাইকাপন গ্রামের ফুলবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪ পরিবার পুরোপুরি ভস্মীভূত এবং একটি পরিবার আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। মাথা গোঁজার ঠাঁইসহ সব হারিয়ে মানবেতর দিন পাড় করছে ক্ষতিগ্রস্ত এসব পরিবার। সোমবার (৫ মে) রাত আড়াইটায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক বাল্ব বিষ্ফোরণ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। স্থানীয়দের আড়াই ঘন্টার প্রচেষ্টায় ভোর ৫ টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন, পাইকাপন ফুলবাড়ির দুলাল মিয়া, নাহেন মিয়া, কাহেন মিয়া, তুকাজ মিয়া ও সাইমুদ্দিন। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। দুলাল মিয়ার ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ নাহেন মিয়া। তিনি বলেন, ‘আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ বলা যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক বাল্ব বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুন দ্রুত দুলালের ঘর থেকে আমাদের ঘরে আশপাশের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। নিমিষেই আমাদের সবকিছু পুঁড়ে ছাই হয়ে গেছে। কোনোকিছুই অবশিষ্ট নেই।

ক্ষতিগ্রস্ত দুলাল মিয়া জানান, আগুনে আমাদের সবকিছু পুড়িয়ে দিয়েছে। পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই। বৈশাখ মাসে কষ্টে তোলা ধানও পুড়ে ক্ষতি হয়েছে। আসবাবপত্র, পরিধানের কাপড়, নগদ অর্থ, বাড়ির দলিলপত্র, এনআইডি, জন্মনিবন্ধনসহ গুরুত্বপুর্ণ নথি পুরোপুরি ভষ্মিভূত হয়েছে। সব হারিয়ে এখন প্রতিবেশীদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। আমাদের সরকারী-বেসরকারী সহযোগীতা প্রয়োজন। শান্তিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী জানান, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে সব ধরনের সহযোগীতা পাঠাতে আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ