শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন

চুনারুঘাটের নালমুখ বাজারে ঈদের আগে মাংসের বাজারে নৈরাজ্য, ক্রেতাদের পকেট ফাঁকা

স্টাফ রিপোর্টার / ১৫৭ Time View
Update : রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের নালমুখ বাজারে ঈদের আগে মাংসের বাজারে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রতি বছর ঈদের আগে এই বাজারে অস্থায়ী মাংসের দোকান বসে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার মাংসের দাম আকাশছোঁয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে কোনো প্রকার লাইসেন্স ছাড়াই মাংস বিক্রি হচ্ছে। দুই-তিনজন মিলে অংশীদারিত্বে গরু ও মহিষ জবাই করে যে যার মতো করে বিক্রি করছেন। ফলে মাংসের দাম নিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। বাজারে গরুর হাড়সহ মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮শত থেকে ৯শত টাকা কেজি দরে। আর শুধু মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১২শ টাকা পর্যন্ত। একই দামে বিক্রি হচ্ছে মহিষের মাংসও। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মহিষের মাংসের দাম প্রতি কেজিতে ৬শত টাকা বেশি বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রামীণ এই বাজারগুলোতে কোনো তদারকি না থাকায় বিক্রেতারা যে যার মতো করে দাম হাঁকাচ্ছেন। ফলে ক্রেতাদের পকেট ফাঁকা হচ্ছে। মিজানুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার প্রতি কেজিতে পাঁচ-ছয়শ টাকা বেশি নিচ্ছে। তাদের লাইসেন্স থাকলে হয়তো নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে হতো। যারা বিক্রি করছে, তাদের কোনো লাইসেন্স নেই। এই বাজারগুলোতে কোনো তদারকিও নেই। সেজন্য তারা যে যার মতো ব্যবসা করছে। যাদের টাকা আছে, তারা হয়তো মাংস কিনে খেতে পারবে। কিন্তু গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাংস খাওয়া হবে না।’তিনি আরও বলেন, ‘অতি শিগগিরই ভোক্তা অধিকারের উচিত এসব বাজারগুলোতে তদারকি করা।’এই বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা একান্ত ভাবে প্রয়োজন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ