শিরোনাম
হরিরামপুরে বয়ড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত । গোয়াইনঘাটে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন এজাহার ভুক্ত আসামি গ্রেফতার ৮ ভোলায় গ্রাম বাংলা জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় ক্রীড়া উৎসব  কানাইঘাটে থানার দালাল সফিরের ক্ষমতার বাহাদুরি গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন- গোয়াইনঘাটে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া ইতিহাসে অমর. সীমিত আয়ের মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন

চুনারুঘাটের নালমুখ বাজারে ঈদের আগে মাংসের বাজারে নৈরাজ্য, ক্রেতাদের পকেট ফাঁকা

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৯ Time View
Update : রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের নালমুখ বাজারে ঈদের আগে মাংসের বাজারে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রতি বছর ঈদের আগে এই বাজারে অস্থায়ী মাংসের দোকান বসে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার মাংসের দাম আকাশছোঁয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে কোনো প্রকার লাইসেন্স ছাড়াই মাংস বিক্রি হচ্ছে। দুই-তিনজন মিলে অংশীদারিত্বে গরু ও মহিষ জবাই করে যে যার মতো করে বিক্রি করছেন। ফলে মাংসের দাম নিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। বাজারে গরুর হাড়সহ মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮শত থেকে ৯শত টাকা কেজি দরে। আর শুধু মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১২শ টাকা পর্যন্ত। একই দামে বিক্রি হচ্ছে মহিষের মাংসও। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মহিষের মাংসের দাম প্রতি কেজিতে ৬শত টাকা বেশি বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রামীণ এই বাজারগুলোতে কোনো তদারকি না থাকায় বিক্রেতারা যে যার মতো করে দাম হাঁকাচ্ছেন। ফলে ক্রেতাদের পকেট ফাঁকা হচ্ছে। মিজানুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার প্রতি কেজিতে পাঁচ-ছয়শ টাকা বেশি নিচ্ছে। তাদের লাইসেন্স থাকলে হয়তো নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে হতো। যারা বিক্রি করছে, তাদের কোনো লাইসেন্স নেই। এই বাজারগুলোতে কোনো তদারকিও নেই। সেজন্য তারা যে যার মতো ব্যবসা করছে। যাদের টাকা আছে, তারা হয়তো মাংস কিনে খেতে পারবে। কিন্তু গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাংস খাওয়া হবে না।’তিনি আরও বলেন, ‘অতি শিগগিরই ভোক্তা অধিকারের উচিত এসব বাজারগুলোতে তদারকি করা।’এই বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা একান্ত ভাবে প্রয়োজন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ