কাজে যাও, তড়িঘড়ি করে বাসায় ফেরো, নাকেমুখে কিছু খাও, ঘুমাও এবং কাজে যাও—বাংলাদেশের অনেক চাকরিজীবি মানুষের জীবন এমন বিরস। সরকারিভাবে বাংলাদেশে কাজ করার সময় ৮ ঘণ্টা, অফিস ছুটি দুদিন। কিছু অফিসের ক্ষেত্রে সময় এক ঘণ্টা কম বা বেশি, ছুটিটাও তেমন। তবে কেউ কেউ ২৪ ঘণ্টার ১৮ ঘণ্টাও কাজ করে। সপ্তাহের...
15
কাজে যাও, তড়িঘড়ি করে বাসায় ফেরো, নাকেমুখে কিছু খাও, ঘুমাও এবং কাজে যাও—বাংলাদেশের অনেক চাকরিজীবি মানুষের জীবন এমন বিরস। সরকারিভাবে বাংলাদেশে কাজ করার সময় ৮ ঘণ্টা, অফিস ছুটি দুদিন। কিছু অফিসের ক্ষেত্রে সময় এক ঘণ্টা কম বা বেশি, ছুটিটাও তেমন। তবে কেউ কেউ ২৪ ঘণ্টার ১৮ ঘণ্টাও কাজ করে। সপ্তাহের সাতদিনে ছুটিও মেলে কালেভদ্রে।
তবে এমনও কিছু দেশ আছে যেখানে ৮, ৯ তো অনেক দূরের কাজের সময় অনেক কম। সবচেয়ে বড় শান্তি—কাজ করতে হবে সপ্তাহে মাত্র চারদিন। শুধু একটি কোনো দেশ নয়, কাজের এমন নিয়ম করা আছে কমপক্ষে এক ডজন দেশে। সেই দেশগুলো নিয়েই এ আয়োজন—
জাপান : এশিয়ার দেশটিতে কাজের সংস্কৃতি নিয়ে প্রচুর সমালোচনা রয়েছে। ২০২১ সালে প্রকাশিত একটি বার্ষিক অর্থনৈতিক নীতিতে সরকার কোম্পানিগুলিকে চার দিনের কর্ম সপ্তাহ গ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছিল। ‘কারোশি’, যার অর্থ ‘কাজের চাপের কারণে মৃত্যু’ প্রতিরোধে সরকার এটি করেছে।
ডেনমার্ক: ডেনমার্কে কাজের সময় প্রতি সপ্তাহে ৩৩ ঘণ্টা। যা বিশ্বের মাঝে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। ইউরোপের ওই দেশটিতেও কার্যদিবস মোটে চারদিন। তবে এই বিষয়ে কোনও সরকারি নিয়ম নেই।
নেদারল্যান্ডস: সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডস বিশ্বের সর্বনিম্ন গড় কর্মঘণ্টা রয়েছে। এখানকার মানুষ সপ্তাহে মাত্র ২৯ ঘণ্টা কাজ করে। যদিও নেদারল্যান্ডে কোন সরকারি নিয়ম নেই, তবুও লোকেরা সপ্তাহে মাত্র চারদিন কাজ করে।
ব্রিটেন: ২০২২ সালে ব্রিটেন চারদিনের কর্ম সপ্তাহ গ্রহণ করে। ৬১টি কোম্পানি এবং ৩০০টিরও বেশি কর্মচারী ট্রায়াল রানে অংশ নিয়েছিল। সম্প্রতি এখানে ২০০টি কোম্পানি চারদিনের কর্মসপ্তাহ গ্রহণ করার ঘোষণা করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা : মো : হিফজুর রহমান খাঁন, প্রধান সম্পাদক : এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নিজাম উদ্দিন, নির্বাহী সম্পাদক : আইয়ুব আলী, অফিস : খান কমপ্লেক্স, সোনারপাড়া, শিবগঞ্জ, সিলেট। যোগাযোগ : প্রধান সম্পাদক : ০১৭৭৬-৭৫২৭৮৪, সম্পাদক ও প্রকাশক : ০১৭৩৭-৩০৪৭৫১। ই-মেইল : sylhetbuletin@gmail.com