শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

ডিমলার ভূমি কার্যালয়ের নারী কর্মচারী ঘুস নেওয়ার অভিযোগে বরখাস্ত   

স্টাফ রিপোর্টার / ১০৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

ডিমলার ভূমি কার্যালয়ের নারী কর্মচারী ঘুস নেওয়ার অভিযোগে বরখাস্ত 

 

নীলফামারী প্রতিনিধি :: নীলফামারী ডিমলায় ঘুস নেওয়ার অভিযোগে উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের এক নারী কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি তার ঘুস গ্রহণের একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করছেন। এর আগে বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত ওই নারী কর্মচারী হলেন- হাসফিয়া আক্তার বানু চৌধুরী। তিনি ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে জারিকারক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আদেশে বলা হয়, 

হাসফিয়া আক্তার বানু চৌধুরী বর্তমানে ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে জারিকারক হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি নীলফামারী সদর উপজেলা ভূমি অফিসে ছিলেন। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে জমির নামজারি সংক্রান্ত কাজে ঘুস নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হয়। ভিডিওটি প্রচারের পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী অভিযোগের তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন সময়ের জন্য তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।g

 

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি জমির নামজারি করতে অফিসে এসেছেন। এ সময় হাসফিয়া আক্তার তারgg কাছ থেকে ঘুসের টাকা গুনে নিচ্ছেন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, আপনার কাজ হয়ে যাবে, চিন্তা করবেন না। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর গত রোববার তাকে বদলি করা হয়েছিল। তবে তদন্তের স্বার্থে বুধবার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাসফিয়া আক্তার বানু চৌধুরী বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি কোনো ঘুস নেননি। ভিডিওটি তার না। জানতে চাইলে নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এ কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্তে প্রতিবেদন পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ