শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন

অবশেষ ড্রেজার আফতাব কারগারে 

স্টাফ রিপোর্টার / ২৮৮ Time View
Update : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫

অবশেষ ড্রেজার আফতাব কারগারে 

 

বিশেষ প্রতিবেদক:: সিলেটের সুরমা নদী ধ্বংসকারী প্রবীণ আওয়ামী নেতা আপ্তাব উদ্দিন ওরফে ড্রেজার আপ্তাব ওরফে কার্পেট আপ্তাব ওরফে বালু আপ্তাবকে (৬৫) অবশেষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ অক্টোবর) প্রথম প্রহর গভীর রাত ২টায় এসএমপির দক্ষিণ ইসলামপুর মেজরটিলার ফালগুনী ৪৯ নং বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আফতাব উদ্দিন ওই বাসার মৃত রস্তুম আলীর পুত্র।

 

জুলাই আন্দোলনে সশস্ত্র হামলার দায়ে সিলেট জেলা যুবদলের যগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদের দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ মামলায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ সিরাজের ঘনিষ্টজন আপ্তাবের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অর্থায়নেরও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে হাজির করলে আদালত জামিন না মন্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরন করেন। বর্তমানে তিনি সিলেট মেট্রো কারাগারে রয়েছেন।

 

 

 

আফতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দেড়দশক ধরে সুরমা নদী লুটেপুটে খাওয়ার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে এলাকাবাসী সিলেটের জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজি বরাবরে বারবার স্মারকলিপি প্রদান করে আসছিলেন।

সুরমা নদী থেকে বেআইনী ও বেপরোয়া বালু উত্তোলন, বিক্রয় ও বিপননের কারণে তিনি ড্রেজার আফতাব, কার্পেট আফতাব ও বালু আফতাব নামে বহুল পরিচিত ও মিডিয়ার বহুল আলোচিত  হয়ে উঠেছিলেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ