শিরোনাম
৬৩ এতিম মেয়েকে জীবন সঙ্গী দিলো সিডস অব সাদাকাহ, :আনুষ্ঠানিকতায় বিশিষ্টজনের উপস্থিতি  নতুন নববর্ষের সকালে- দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পূজো দিতে ভক্তদের যনজোয়ার জাফলংয়ে কূপ থেকে দেশীয় পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ ভারতীয় সিএনজি আসছে বাংলাদেশ  হচ্ছে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন চক্রের এক সদস্য আটক জাফলংয়ে মুসলিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ: শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মানসম্মত শিক্ষা ও নকলমুক্ত পরীক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: -শিক্ষামন্ত্রী সিলেট,  রাজনগরের কুশিয়ারায় ১৫৬ কেজির বিশাল বাঘ মাছ, দেখতে ভিড় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে বাঙ্কার এলাকায় পাথর উত্তোলনের সময় গর্তের বালু ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। জুড়ী অঞ্চলের মাটি উর্বর,তাই জুড়ীকে কৃষি হাবে রূপান্তরে সরকারের উদ্যোগ করেছে সরকার –মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন

সিলেট থেকে ঢাকাগামী ট্রেনে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী চলাচল করলেও সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে।

স্টাফ রিপোর্টার / ৪১৩ Time View
Update : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

9

বিশেষ প্রতিবেদক:

সিলেট থেকে ঢাকাগামী ট্রেনে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী চলাচল করলেও সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে। জয়ন্তিকা, উপবন, কালনি ও পারাবত এক্সপ্রেস সিলেট থেকে ঢাকা ও ঢাকা থেকে সিলেট যাতায়াত করলেও অনিয়ম, ভোগান্তি ও দুর্নীতির অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে।

উপবন এক্সপ্রেস: দাঁড়িয়ে যাত্রা, টিটির অনিয়ম-উপবন এক্সপ্রেসে টিকিট না পেয়ে দাঁড়িয়ে যাত্রা শুরু করতে হয়েছে অনেককে। বগির ভেতরে গাদাগাদি করে যাত্রী উঠানামা চলেছে সায়েস্তাগঞ্জ পর্যন্ত। টিকেট পরীক্ষক (টিটি) বগিতে এলেও প্রকৃত যাত্রীদের প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে নামধারী কিছু লোকের সঙ্গে কথা বলে চলে যান। পরে খাবারের বগির পেছনে বসে হিসাব চুকিয়ে আরাম করে বসতে দেখা গেছে টিটিকে।

বিশেষ করে সায়েস্তাগঞ্জের পরের স্টেশন গুলোতে যাত্রীদের ভিড় এতটাই বেড়েছে যে পা ফেলার জায়গা পর্যন্ত ছিল না। অধিকাংশ যাত্রী টিকিটবিহীন, অথচ টিটিরা নামমাত্র খাতির করে যাত্রীদের থেকে সুবিধা নিয়েছেন বলে অভিযোগ।

কালনি এক্সপ্রেস: আসন সংকট ও যাত্রী ভোগান্তি-কালনি এক্সপ্রেসে যাত্রীদের ভিড় আরও তীব্র। বিমানবন্দর স্টেশনে উঠার সময় ধাক্কাধাক্কিতে অনেকে আহত হন। নির্ধারিত আসনে গিয়ে দেখা যায় আসন দখল করে বসে আছেন অচেনা দুজন। টিটি ডেকে আনলে প্রথমে আসন খালি হলেও পরে তারা নিজেদের ‘স্টাফ’ পরিচয় দিয়ে গা-ঢাকা দেন।

অনেক দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী কোনো টিকিটই পাননি। হাতে ডিজিটাল মেশিন থাকা সত্ত্বেও টিটিরা কেবল সুবিধাভোগী যাত্রীদের টিকিট কেটেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে থামতেই দেখা যায়—অর্ধেকের বেশি যাত্রী নেমে যাচ্ছেন, যাদের বেশিরভাগের টিকিট ছিল না।

পণ্য পরিবহনেও গোপন বাণিজ্য-মধ্যরাতে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনে থামলে দেখা যায় ট্রেনের ইঞ্জিনে কয়েকজন যাত্রী ও পণ্য বোঝাই বস্তা। ইঞ্জিনচালক নিজে নেমে পণ্য নামানোর পর অর্থ লেনদেন করে আবার ইঞ্জিনে উঠে বসেন।

সর্বত্র অনিয়ম-যাত্রীরা অভিযোগ করছেন—খাবারের বগির বিক্রেতা থেকে শুরু করে টিটি ও ইঞ্জিন চালক পর্যন্ত সবাই যাত্রীসেবার চেয়ে পকেট গরমেই বেশি ব্যস্ত। ফলে ট্রেনে চলাচল এখন সাধারণ যাত্রীদের জন্য ভোগান্তির আরেক নাম।

রেলওয়ের টিকিট সংকট ও ভোগান্তি –

টিকিট কাউন্টারে গেলে প্রায়ই বলা হয়—নাই, দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট কাটতে পারেন। অথচ একটু  সেই একই কাউন্টার থেকে মিলছে টিকিট!

এই দুই আসনের টিকেট বিমানবন্দর স্টেশন থেকে এক হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হয় আমাকে।

টিকের মূল্য দেখে বাড়তি টাকা চাওয়ার কারণ জানতে চাইলে কাউন্টারের লোক বলে নিলে নেন নাইলে জান!

অনলাইনে টিকিটের অবস্থাও ভিন্ন নয়। বারবার ওয়েবসাইটে ঢুকলেও দেখা যায়—এক সপ্তাহ পর্যন্ত কোনো টিকিট নেই। অনেক সময় সেই মেয়াদ আরও দীর্ঘ হয়। কিন্তু আশেপাশে পরিচিত কেউ থাকলে অনলাইনের টিকিটও সহজেই পাওয়া যায়। সমস্যাটা হলো—সেই টিকিট আবার যাত্রীর নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড)-এর সঙ্গে মেলে না। ফলে যাত্রীরা বাধ্য হয়ে বাড়তি দাম দিয়ে সেই টিকিট কিনতে বাধ্য হন।

গন্তব্যে পৌঁছানোর পর দেখা দেয় আরেক বিড়ম্বনা। স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা টিটিগণ টিকিট পরীক্ষা করেন, নাম-ঠিকানা যাচাই করেন। তখন অনলাইনের টিকিট কালোবাজার থেকে কিনে যাত্রীরা পড়েন নানা প্রশ্নের মুখে। অথচ যাত্রীরা তো টিকিটের জন্য মূল্য পরিশোধই করেছেন!

তাহলে প্রশ্ন হলো—দোষ কি যাত্রীদের, নাকি সেই সিন্ডিকেটের? যারা সুযোগ বুঝে আগেই টিকিট কেটে মজুত রাখে এবং পরে বাড়তি দামে বিক্রি করে যাত্রীদের জিম্মি বানায়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ