শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন

আতঙ্কে দিন কাটছে দূর্গম চরবাসী,পদ্মায় গিলে খাচ্ছে হাজারো বসতভিটা,নিঃস্ব হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার।

স্টাফ রিপোর্টার / ৩২৫ Time View
Update : রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

মোহাম্মদ আলী,স্টাফ রির্পোর্টার।

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার দূর্গ চরাঞ্চলের (লেছড়াগঞ্জ, সুতালড়ি,আজিমনগর) তিনটি ইউনিয়নের অধিকাংশই ইতিপূর্বে নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে,যতটুকু জায়গা বাকি ছিলো এর অধিকাংশ বর্তমান বিলুপ্তের পথে ও এখানকার মানুষের আতঙ্কে দিন কাটাছে।পদ্মায় গিলে খাচ্ছে হাজারো বসতভিটা,নিঃস্ব হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পদ্মার তীব্র ভাঙনের ফলে দূর্গম চরাঞ্চলের বিশেষ করে লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের চাষ্য যোগ্য আবাদী হাজারো বিগা জমি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।বর্তমানে পদ্মার ভাঙন সন্নিকটে আসার কারণে নিরুপায় হয়ে পড়ায় প্রায় অর্ধ শতাধিক পরিবার চর থেকে নিরাপদ অন্যত্র জায়গা চলে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,আমাদের শেষ সম্বল বাপ-দাদার
ভিটা মাটি টুকুও পদ্মার ভাঙনে নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে,আমাদের এখন যাওয়ার জায়গা নেই,আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।
চরাঞ্চলের সর্বসাধারণ আপামর জনগনের দাবি, সরকার প্রধান ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জেনো বিষয়টি খতিয়ে দেখে অতিদ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী আব্দুল হান্নান মৃধা মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানায়, একাধিক বার পানি উন্নয়ন বোর্ড কে আমরা অবজ্ঞত করেছি, এর কোন স্থায়ী সমাধান এখনো পাইনি।
মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা সার্বিক সহযোগিতায় আমি কথা বলে যতটুকু সম্ভবত অসহায় -নিঃস্ব দূর্গম চরাঞ্চলের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনূর আক্তার মুঠোফোন সাংবাদিকদের জানায়, ভাঙনের বিষয়টি আমি অবজ্ঞত আছি, ইতিমধ্যে আমি আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জানিয়েছি।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ কে মুঠোফোনে জিজ্ঞেসা করলে আমাদের জানান,বিষয়টি খতিয়ে দেখে অতিদ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ