শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো ক্ষেতে সুলসুলি ও মাজরা পোকার আক্রমণ, ধানের মরা শীষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক!

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৭ Time View
Update : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার উত্তর দাড়িয়ারপাড়,খৈলকুড়া, নলকুড়া,বন্ধভাটপাড়া,ডেফলাই,সহ উপজেলার চলতি বোরো আবাদের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলের মাঠে ব্যাপক সুলসুলি ও মাজরা পোকার আক্রমণে ধানক্ষেত শুকিয়ে যাচ্ছে এবং মরা শীষ বের হচ্ছে। এতে চিটা হয়ে যাওয়ায় ধানের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন চলতি বোরো মৌসুমে ঝিনাইগাতি উপজেলায় ১৪,৬০৬ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ হয়েছে। জলবায়ু ও আবহাওয়া পরিবর্তন জনিত কারনে মাজরা পোকার আক্রমণ শেরপুরসহ অন্যান্য স্হানেও বিগত বছরের তুলনায় বেশি। ঝিনাইগাতিসহ শেরপুর জেলায় প্রায় ৭০% জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ধান আবাদ হয়। উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ধানে মাজরা পোকা আক্রমণ বেশি করে। উষ্ণ ও আর্দ্রযুক্ত আবহাওয়া অর্থাৎ ৮০-৯০% আপেক্ষিক আর্দ্রতা এই পোকার সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত।

এই বছর বোরো মৌসুমে অনুকুল আবহাওয়া বিরাজ করেছে তাই আক্রমণ বেশি। যদি প্রতি একর জমিতে  শতকরা ৫-৮ ভাগের বেশি মরা শীষ বের  হয়  তাহলে ফলন কম হওয়ার আশঙ্খা রয়েছে। তাই সাদা শীষ দেখলেই ভয় পাওয়ার কারন নেই। ২-৮% সাদা শীষ থাকলেও ফলনে কোন প্রভাব পড়ে না। ফসলের মাঠে রোগ বালাই দেখা দিলে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করে ভালো কোম্পানির কীটনাশক প্রয়োগ করার জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ, মাঠ দিবস ও উঠান বৈঠকে আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি।  এছাড়াও মাঠ পর্যায়ে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা সরেজমিনে ফসলের মাঠ পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ