শিরোনাম
নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা ছাতক সরকারি কলেজ-কে শিক্ষা সহ  সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে নিতে চাই— কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি গোয়াইনঘাটে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো ক্ষেতে সুলসুলি ও মাজরা পোকার আক্রমণ, ধানের মরা শীষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক!

স্টাফ রিপোর্টার / ১৬৭ Time View
Update : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

48

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার উত্তর দাড়িয়ারপাড়,খৈলকুড়া, নলকুড়া,বন্ধভাটপাড়া,ডেফলাই,সহ উপজেলার চলতি বোরো আবাদের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলের মাঠে ব্যাপক সুলসুলি ও মাজরা পোকার আক্রমণে ধানক্ষেত শুকিয়ে যাচ্ছে এবং মরা শীষ বের হচ্ছে। এতে চিটা হয়ে যাওয়ায় ধানের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন চলতি বোরো মৌসুমে ঝিনাইগাতি উপজেলায় ১৪,৬০৬ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ হয়েছে। জলবায়ু ও আবহাওয়া পরিবর্তন জনিত কারনে মাজরা পোকার আক্রমণ শেরপুরসহ অন্যান্য স্হানেও বিগত বছরের তুলনায় বেশি। ঝিনাইগাতিসহ শেরপুর জেলায় প্রায় ৭০% জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ধান আবাদ হয়। উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ধানে মাজরা পোকা আক্রমণ বেশি করে। উষ্ণ ও আর্দ্রযুক্ত আবহাওয়া অর্থাৎ ৮০-৯০% আপেক্ষিক আর্দ্রতা এই পোকার সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত।

এই বছর বোরো মৌসুমে অনুকুল আবহাওয়া বিরাজ করেছে তাই আক্রমণ বেশি। যদি প্রতি একর জমিতে  শতকরা ৫-৮ ভাগের বেশি মরা শীষ বের  হয়  তাহলে ফলন কম হওয়ার আশঙ্খা রয়েছে। তাই সাদা শীষ দেখলেই ভয় পাওয়ার কারন নেই। ২-৮% সাদা শীষ থাকলেও ফলনে কোন প্রভাব পড়ে না। ফসলের মাঠে রোগ বালাই দেখা দিলে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করে ভালো কোম্পানির কীটনাশক প্রয়োগ করার জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ, মাঠ দিবস ও উঠান বৈঠকে আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি।  এছাড়াও মাঠ পর্যায়ে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা সরেজমিনে ফসলের মাঠ পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ