শিরোনাম
নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা ছাতক সরকারি কলেজ-কে শিক্ষা সহ  সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে নিতে চাই— কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি গোয়াইনঘাটে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন

একটি গ্রামে একটি বাড়ি  পনে দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা ইউএনওর সহযোগিতায় করে দিলেন চেয়ারম্যান 

স্টাফ রিপোর্টার / ১৯৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫

60

ফরিদপুর প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রুপাপাত ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর (স্থানীয়ভাবে বেষ্টপুর নামেও পরিচিত) ওই গ্রামে ছলে মোল্যার একটি পরিবার বসবাস করে। পূর্বে আরও বসতি থাকলেও সকলে গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে রাস্তা না থাকায়। ওই পরিবারটি গত দেড় শো বছর যাবত বসবাস করে আসছে। বর্ষাকালে নৌকা, ডুঙ্গা, কখনো গামছা পড়ে পানি ঝাপিয়ে বাজার করতে যেতে হতো।

প্রায় দেড় শত বছর ধরে রাস্তাবিহীন দুর্ভোগ পোহানো এই গ্রামের পরিবারটি ও আশপাশের গ্রামের মানুষ এবার পেয়েছে একটি মাটির রাস্তা। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বেলা ১১টায় গ্রামের অভ্যন্তরে নির্মিত এই নতুন রাস্তা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হাসান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন রুপাপাত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সোনা মুয়া। আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং উৎসাহী গ্রামবাসী।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউএনও তানভীর হাসান চৌধুরী বলেন, “এই রাস্তা শুধু মাটি দিয়ে নির্মাণ নয়, এটি একটি ইতিহাসের অংশ। দেড় শত বছর ধরে যোগাযোগের জন্য যে কষ্ট মানুষ করেছে, আজ সেই কষ্টের অবসান ঘটল। এ রাস্তা গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সোনা মিয়া বলেন,  বিষ্ণুপুর মৌজায়, বিষ্ণুপুর গ্রামে একটি পরিবারই বসবাস করছে “এই রাস্তাটি ছিল ওই পরিবারসহ আশেপাশের গ্রামের মানুষের স্বপ্ন।

। নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম—আজ আমরা সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পেরেছি। এটা আমার জন্য গর্বের।” তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হাসান চৌধুরীর সহযোগিতায় রাস্তাটি করতে পারলাম।

অনুষ্ঠান শেষে আশে পাশের গ্রামবাসী আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠে। অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কেউ কেউ বলছিলেন, “আমরা কখনো ভাবিনি জীবদ্দশায় এই রাস্তা দেখতে পাব। আজকে তা বাস্তব। এই রাস্তা আমাদের স্বপ্নের রাস্তা।”

মো. ফারুক মোল্যা  জানান, আগে বর্ষাকালে গ্রামের মানুষ নৌকা দিয়ে চলাচল করতেন। জরুরি সময়েও রোগী বহনে কিংবা স্কুলে যাওয়া শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। নতুন এই রাস্তা এই গ্রাম ও আশপাশের গ্রামবাসীর জন্য যেন নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

উল্লেখ্য, প্রায় পনে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এই কাচা রাস্তার নির্মাণকাজ শেষ হয় চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা ও ত্রাণমন্ত্রনালয়  আওতাধীন গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পে (কাবিখা) সরকারি অর্থায়নে রাস্তার নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ