শিরোনাম
ছাতকের চরমহল্লায় বাঘেচরা হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন কর্মসূচি ও সভা সুরমা নদীর তীরে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী    বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে – বাণিজ্যমন্ত্রী  মে দিবসের র‌্যালি ও আলোচনায় সিসিক প্রশাসক শ্রমিকদের সকল সমস্যার সমাধান হবে গোয়াইনঘাটের বিছনাকান্দি সীমান্তে বিজিবির ওপর চোরাকারবারিদের হামলা: মামলা দায়ের আনন্দবাজারে র‍্যাব-৯ এর হানা: বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার যুক্তরাজ্য বিএনপি’র ৪১ সদস্যের আহব্বায়ক কমিটিতে আবুল কালাম আজাদ ও সদস্য সচিব খসজরুজ্জামান খসরুকে কমিটি অনুমোদন  দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন জ্বালানি সংকটে সন্ধ্যার পর দোকানপাট বন্ধ সরকারি সিদ্ধান্ত, তবে এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সাময়িক সময়ের – ইউএনও অনীক চৌধুরী  গোয়াইনঘাটে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে 
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন

সুরমা নদীর তীরে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী   

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৩ Time View
Update : শনিবার, ২ মে, ২০২৬

47

# সিসিক প্রশাসক বললেন বাস্তবায়নে হবে নগরীর দীর্ঘ সংকট মোকাবেলা#

 

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া:: সিলেট নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বন্যার সমস্যা সমাধানে সুরমা নদীর তীরে মেগা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার বেলা ১১টায় সার্কিট হাউস সংলগ্ন চাঁদনীঘাট এলাকায় তিনি ‘বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের’ ফলক উন্মোচন করেন। পরে মোনাজাত শেষে প্রকৌশলী প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রকল্পের তথ্য তুলে ধরেন। 

এসময় তারেক রহমানের সাথে তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানসহ সিলেটের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় বিএনপি ও প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন এবং নকশা পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের আওতায় সুরমা নদীর দুই পাড়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া নগরীর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ছড়া ও খালে স্লুইস গেট নির্মাণ করা হবে। বর্ষা মৌসুমে সুরমা নদীর পানি বেড়ে গেলে স্লুইস গেটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে, যাতে নদীর পানি নগরে প্রবেশ করতে না পারে। পাশাপাশি নদীর দুই পাড় উঁচু করা হবে এবং প্রয়োজনীয় স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও সুরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করা হবে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সিলেট নগরবাসী জলাবদ্ধতা ও বন্যার হাত থেকে দীর্ঘমেয়াদী মুক্তি পাবে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সুরমার পানি ছড়া ও খাল দিয়ে উল্টো নগরে প্রবেশ করার যে সংকট ছিল, তার অবসান ঘটবে। একই সাথে সুরমা নদীর দুই পাড় আধুনিক ও নান্দনিক রূপ পাবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে প্রধানমন্ত্রী তার নির্ধারিত পরবর্তী কর্মসূচী হিসেবে নগর ভবন চত্বরে সুধী সমাবেশে যোগদেন।

প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান যে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সে প্রকল্প বাস্তবে রূপ নেয়ার পর সিলেট নগরীর হবে দীর্ঘ সংকট মোকাবেলা এ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে গিয়ে জানালেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ