শিরোনাম
সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ “মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান চৌধুরীর প্রতি একটি খোলা চিঠি” নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন

শেরপুরে আড়াই মাস বয়সী শিশু চুরির অভিযোগে শিশু পাচারকারী দলের নারী সদস্য গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার / ২১৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

83

অনলাইন ডেস্ক

শেরপুরে আড়াই মাস বয়সের এক কন্যা শিশুকে চুরির অভিযোগে জরিনা বেগম নামে শিশু পাচারকারী দলের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে শেরপুর সদর থানা পুলিশ টাঙ্গাইল জেলা সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুকে উদ্ধার ও শিশু পাচারকারী দলের নারী সদস্যকে গ্রেফতা করে জরিনা শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর গ্রামের ইজ্জত আলীর স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে শেরপুরের নকলা উপজেলার কুলাদি গ্রামের তানিয়া আক্তার ও লতিফুর রহমান দম্পতির কন্যাশিশু লাবিবাকে চিকিৎসার জন্য শেরপুর পৌর শহরের বটতলা এলাকার নিরাপদ ক্লিনিকে নিয়ে আসেন। এসময় ওই ক্লিনিকে শিশু চোর চক্রের সদস্য জরিনা শিশুর মাকে বোকা বানিয়ে তার মেয়ে সাবিনার সহায়তায় শিশুটিকে চুরি করে নিয়ে যায়।

পরে ওই শিশুকে টাঙ্গাইল জেলা সদরের এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। এবিষয়ে শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার সকালে শেরপুর শহরের মাধবপুর এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামী জরিনাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী টাঙ্গাইল জেলা সদরের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু লাবিবাকে।

এ ঘটনার সাথে জড়িত জরিনার মেয়ে সাবিনা (২৮),শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর গ্রামের সুলতান মিয়া (৪৫) ও টাংগাইল সদরের এমদাদুল হকের স্ত্রী সানোয়ারা খানম (৩০) এখনো পলাতক রয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামি জরিনাকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ