চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা
স্টাফ রিপোর্টারঃ ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার চেলা নদীর শাখা (চৈলতার ঢালা) থেকে নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই মামলায় আরও ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) পরিবেশ অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের রহমতপুর, আলমপুর ও কাজিরগাঁও এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার সোনাপুর এলাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত চেলা নদীর শাখা (চৈলতার ঢালা) থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল।
এ ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক বাদী হয়ে ২১ জুলাই ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেন।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়ের করা মামলায় ২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া আরও ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ইসলাম উদ্দিন মেম্বার (৫২), জমির আলী (৩৮), খালিক মিয়া (৪০), মাহমদ হোসেন (৫০) ও কয়সর আলী (৪৫)সহ মোট ২৬ জন আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল একাধিকবার সরেজমিন পরিদর্শন করেন। তদন্তে রাতের বেলায় নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক বলেন, “অবৈধভাবে নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের ফলে নদী, পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।##