# প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় শিগগিরই সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হচ্ছে না #
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনিক চৌধুরী বলেছেন, জ্বালানি সংকটে সন্ধ্যার পর দোকানপাট বন্ধ সরকারি সিদ্ধান্ত, তবে এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সাময়িক সময়ের জন্য।সিদ্ধান্ত সকলের মেনে নেওয়া উচিত সকলের জনস্বার্থে। জনপ্রতিনিধিসহ সচেতন ও ব্যবসায়ী সমাজকে এ ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি ভোর বেলায় সড়কে ছিনতাই প্রতিরোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন।
একই সাথে তিনি যানজট নিরসন ও জনগণের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাথে সমন্বয় করে নগর এলাকার প্রতিটি ফুটপাত, রাজপথসহ উপজেলার প্রত্যেকটি সড়কপথ দখলমুক্ত রাখতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমুহের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানান।
গত ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা কনফারেন্স হলে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির নিয়মিত সভায় ইউএনও সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সভায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিহাব সারার অভী, মোগলাবাজার থানার ওসি (তদন্ত) এরশাদুল হক ভূঁইয়া, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ ফুলর, জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান ওয়েস আহমদ, মোগলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফখরুল ইসলাম শায়েস্তা, দাউদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুল হক, কামালবাজার ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ একরামুল হক, সিলাম ইউপি চেয়ারম্যান শাহ মোঃ অলিদুর রহমান, দক্ষিণ সুরমা থানার ওসির প্রতিনিধি এসআই মাইনুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম মুসিক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রোমান মিয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুনন্দা রাণী মোদক, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা খাতুন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার বৃষ্টি, উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার রীমা দাশ, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন ও লালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ডা. সাহাব উদ্দিন মুন্না, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ সানোয়ার আলীসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা।
সভায় সাংবাদিক প্রতিনিধিদের প্রশ্নের উত্তরে ইউএনও এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, আমার জানামতে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোল্লারগাঁও এবং তেতলি ইউনিয়নের নির্ধারিত স্থানে অধিগ্রহণকৃত ভূমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের পরও সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় শিগগিরই সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হচ্ছে না। তবে খুব তাড়াতাড়ি যাতে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা যায়, এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করবো, ইনশাল্লাহ।