সিলেটের জাফলং আমির মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত বেলাল স্যারের বিরুদ্ধে অভিযোগসমূহ পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হলো—
১. এডহক কমিটিকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বের নামে প্রতি মাসে মূল বেতনের ২০% হারে অতিরিক্ত ভাতা গ্রহণ।
২. আগস্ট ২০২৪ থেকে আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব দেখিয়ে এককালীন ৮২,০০০/- টাকা উত্তোলন (বিধিবহির্ভূত)।
৩. কমিটির মেয়াদ নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে মিটিং এড়ানো/বিলম্ব করা।
৪. সভাপতির পরামর্শ ছাড়াই এককভাবে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা।
৫. বিদ্যালয়ের আয় ব্যাংকে জমা না দিয়ে হাতে রাখা এবং সভাপতির অনুমতি/স্বাক্ষর ছাড়াই ব্যয় পরিচালনা।
৬. শিক্ষকদের প্রাতিষ্ঠানিক বেতন ও ঈদ বোনাস সভাপতির অনুমতি ছাড়া বিতরণ।
৭. অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন ভাউচার তৈরি ও পরিশোধ এবং ভাউচারে অসঙ্গতি থাকা।
৮. সরকারি বেতন ও বোনাস বিল সভাপতির অনুমতি/স্বাক্ষর ছাড়া জমা প্রদান।
৯. সহকারী শিক্ষক মরিয়ম আক্তারকে অনুমোদনহীনভাবে অনুপস্থিত দেখানো।
১০. পূর্ববর্তী ইউএনও কর্তৃক ভাউচার গরমিলের কারণে অনুমোদন না পাওয়া সত্ত্বেও বিষয়টি গোপন রাখা এবং নতুন করে অনুমোদনের উদ্যোগ না নেওয়া।
১১. উপবৃত্তি এন্ট্রি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ফরম ফিলাপসহ বিভিন্ন খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং হিসাব প্রদান না করা।
১২. নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকা এবং সময়মতো আগমন-প্রস্থান না করা।
১৩. চলতি শিক্ষাবর্ষে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ক্লাস রুটিন প্রণয়ন না করা।
১৪. সরকারি নির্দেশনা ও কমিটির সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন না করা।
১৫. সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী সহশিক্ষাক্রম ও শ্রেণির সময়সূচী সম্পন্ন না করা।
১৬. কমিটির সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রেখে এককভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
১৭. বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন খাতে অর্থ আদায় করে তা থেকে ব্যক্তিগত সুবিধা/সম্মানী গ্রহণ।
১৮. সরকারি আদেশ অমান্য করা এবং কমিটিকে বিভ্রান্ত করা।
১৯. সামগ্রিকভাবে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও পেশাগত অসদাচরণে জড়িত থাকা।