শিরোনাম
মোবাইল আসক্তি: নীরব বিপদে তরুণ সমাজ ভৈরবে ওজনে কম দিয়ে প্রতারণা: মিন্টু মিয়া ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা সেলিব্রিটি লেখিকা তুলতুলের “গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.)” প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে- সিসিক প্রশাসক  অমর একুশে বইমেলায় পাওয়া যাবে আনোয়ার শাহজাহানের ৬টি বই গোয়াইনঘাটে ভারতীয় পণ্যসহ আটক-৮ এতিম শিক্ষার্থীদের সম্মানে সিলেটে শাহপরান (রহঃ) প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বাছির জামাল বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন এমডি অপরাধ দমনে সিলেট নগরীকে আইপি ক্যামেরা আওতায় আনা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী          বলাউরা জিলকার হাওরে বংশীখাল খননে কৃষি জমি সেচ সুবিধা পাবে , অতিরিক্ত ফসল তোলবে কৃষকরা – বাণিজ্যমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন

মোবাইল আসক্তি: নীরব বিপদে তরুণ সমাজ

স্টাফ রিপোর্টার / ৭৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

মোবাইল আসক্তি: নীরব বিপদে তরুণ সমাজ

 

মোঃ ছাবির উদ্দিন রাজু ভৈরব কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বর্তমান আধুনিক যুগে মোবাইল ফোন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যোগাযোগ, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার এখন সমাজে এক নতুন সমস্যার সৃষ্টি করেছে, যাকে বলা হয় মোবাইল আসক্তি।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল ব্যবহার করলে মানুষের মনোযোগ কমে যায়, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয় এবং চোখের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে রাতে দেরি পর্যন্ত মোবাইল ব্যবহার করার কারণে ঘুমের সমস্যা, মানসিক চাপ এবং অবসাদও বাড়তে পারে।

 

তরুণ সমাজের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেকেই পড়াশোনা বা কাজের পরিবর্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গেম কিংবা অপ্রয়োজনীয় ভিডিও দেখার পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করছে। ফলে সময়ের অপচয় হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজ থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হচ্ছে।

 

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, মোবাইল আসক্তি থেকে বের হতে হলে প্রথমেই নিজের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ কম ব্যবহার করা, নির্দিষ্ট সময়ের বেশি মোবাইল ব্যবহার না করা এবং অবসর সময়ে বই পড়া, খেলাধুলা বা পরিবারকে সময় দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

 

সচেতন মহলের মতে, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে মোবাইল আসক্তি কমানো সম্ভব। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারই পারে মানুষকে উপকারের পথে নিয়ে যেতে, অন্যথায় এটি ধীরে ধীরে বড় সামাজিক সমস্যায় পরিণত হতে পারে।

 

✅ উপসংহার:

মোবাইল ফোন মানুষের জীবনে আশীর্বাদ হলেও এর অতিরিক্ত ব্যবহার অভিশাপে পরিণত হতে পারে। তাই সচেতনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মোবাইল ব্যবহারে সংযমী হওয়াই সময়ের দাবি।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ