ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের খাদেমচেয়ারম্যান হিসেবে সাংবাদিকও মানবাধিকার কর্মী মোঃ ছাবির উদ্দিন রাজু কে দেখতে চান এলাকাবাসী
বিশেষ প্রতিনিধিঃ নদীর স্রোতের মতো সময় বদলায়, কিন্তু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইতিহাস বদলায় না। ঠিক তেমনই ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের খাদেম সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও রাজনৈতিক- সামাজিক সংগঠক মোঃ ছাবির উদ্দিন রাজু —যার নাম এখন শিবপুর ইউনিয়ন মানুষের মুখে মুখে। স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক সহকর্মী ও সাংবাদিক সমাজের অনেকেই তাকে আগামী ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।
ছাবির উদ্দিন রাজু ভৈরব উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও আহবায়ক জাতীয় যুব সংহতি ভৈরব উপজেলা শাখা,সাবেক যুগ্ন আহবায়ক জাতীয় তরুণ পার্টি সেন্ট্রাল কমিটি, ন্যাশনাল প্রেসসোসাইটি এনপিএসের সেন্ট্রাল কমিটির যুগ্ন মহাসচিব, পল্লী শক্তি সমাজ কল্যাণ সংস্থা( এনজিও) এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক, কিশোরগঞ্জ জেলা পাদুকা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, কিশোরগঞ্জ সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, ভৈরব তরুণ স্পূটিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) ভৈরব শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সাংবাদিক সহকর্মীরা বলেন, রাজু একজন মাঠের সাহসী একাদিক পুরুস্কার প্রাপ্ত সাংবাদিক। সত্য তুলে ধরতে তিনি কখনো পিছপা হননি। সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন,একাদিক মিথ্যা মামলা খেয়েছেন, আবার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নিঃস্বার্থভাবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনেকেই তাকে ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
তাদের ভাষায়, “যদি একজন মাঠের সাংবাদিক ও সক্রিয় রাজনৈতিক সংগঠক, মানবাধিকার কর্মী চেয়ারম্যান হন, তাহলে নিঃসন্দেহে শিবপুর ইউনিয়নের চিত্র পাল্টে যেতে পারে।” রাজনৈতিক সহকর্মীদের মতে, ছাবির উদ্দিন রাজু জাতীয় পার্টির দুঃসময়ের একজন লড়াকু কর্মী। দীর্ঘ প্রায় ৩১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি নানা আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ভৈরব দূর্জয় মোড়ে সেন্টাল নেতার উপস্থিতিতে মানববন্ধন করেন তার একক নেতৃত্বে, ক্ষমতার বাইরে থাকার সময় দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নির্যাতনের মুখোমুখি হলেও তিনি পল্লী বন্ধুর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ থেকে একচুলও সরে দাঁড়াননি।
এক সহকর্মী আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, “রাজনীতির পথে ঝড় এসেছে, কিন্তু রাজুর বিশ্বাসের প্রদীপ কখনো নিভে যায়নি। অন্ধকার যত ঘন হয়েছে, তার সাহস তত উজ্জ্বল হয়েছে।”
রাজু নিজেও বলেন, দীর্ঘ ৩১ বছরে বিভিন্ন সরকারের সময় তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। তবুও তিনি গণতন্ত্র ও ন্যায়ের পক্ষে লড়াই চালিয়ে গেছেন। রাজনীতি, মানবতা ও সাংবাদিকতায় তার পারিবারিক ঐতিহ্যও উল্লেখযোগ্য।
পরিবারের ৮ ভাই ২ বোন, ছেলে মেয়ে নাতি পতি প্রবাসে অন্য সদস্যরাও সামাজিক, ধর্মীয়, রাজনীতিতে সক্রিয় সকলে। স্থানীয়দের মতে, “যে পরিবার কলমে, কণ্ঠে,মানবতায় এবং আন্দোলনে মানুষের পাশে থেকেছে—সেই পরিবারের সন্তান রাজু যদি চেয়ারম্যান হন, তাহলে শিবপুর উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।”
রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সংগ্রাম, সাংবাদিকতার সাহসী পথচলা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা—এই তিনের মিশেলে গড়ে উঠেছে ছাবির উদ্দিন রাজুর পরিচয়। তাই অনেকের বিশ্বাস, “যদি নেতৃত্ব হয় মানুষের জন্য, তবে সেই নেতৃত্বের নাম হতে পারে রাজুর।”
ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের আকাশে এখন নতুন প্রত্যাশার হাওয়া—সেই হাওয়ায় ভেসে উঠছে একটি নাম, শম্ভূপুর ছয়নুদ্দিন সরকার বাড়ীর ছাবির উদ্দিন রাজু । হয়তো সময়ই বলবে, মানুষের এই আশা কতটা বাস্তবে রূপ নেয়।