শিরোনাম
সিলেটের হুমায়ুন চত্বর থেকে ১৯৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার দোয়ারাবাজারে এক ভূমিহীনের দখলে থাকা সরকারী জায়গা প্রভাবশালীচক্র স্টাম্পের মাধ্যমে জোরপূর্বক দখল  হবিগঞ্জের মাধবপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যা নাকি আত্মহত্যা? প্রশ্ন পরিবারের, গফরগাঁও রেলস্টেনে জামালপুর কমিউটারের ৫ বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ দক্ষিণ সুরমায় ৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে মৌলভীবাজারে মতিন মিয়া হত্যা: সিলেটে র‍্যাব-৯ এর অভিযানে গ্রেফতার ১ দোয়ারাবাজার তিনদিন পর সুরমা নদীতে ভেসে উঠল শ্রমিকের লাশ একবালপুর ও ওয়াটগঞ্জ থানায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী- সারপ্রাইজ ভিজিটে পুলিশের কাজকর্ম খতিয়ে দেখলেন দোয়ারাবাজারে তিন সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন। স্কুলশিক্ষককে গাছে বেঁধে নির্যাতন, মধ্যযুগীয় বর্বরতার অভিযোগ
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

পার্বত্য বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে থানচিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৯ একর পপিক্ষেত ধ্বংস: যার বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা

স্টাফ রিপোর্টার / ১৫২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

95

পার্বত্য বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে থানচিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৯ একর পপিক্ষেত ধ্বংস: যার বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা

 

বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে যৌথ বাহিনী।  থানচি ৩১ বীর বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর আলীকদম জোনের একটি সমন্বিত টহল দল দীর্ঘ অভিযানে প্রায় ২৯ একর জমির পপিক্ষেত ধ্বংস করেছে।

 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ দল সংশ্লিষ্ট এলাকার ১২টি পৃথক লোকেশনে অভিযান পরিচালনা করে। স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ পপিক্ষেত গুলো উপড়ে ফেলা ও পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

যৌথ বাহিনীর ধারণা মতে, ধ্বংসকৃত পপি থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর প্রায় ১,৪৫০ কেজি আফিম উৎপাদিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। উদ্ধারকৃত ও ধ্বংসকৃত এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ কোটি ৮৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই অঞ্চলের বিশাল এলাকা জুড়ে পপি চাষের বিস্তার ঘটেছে। বিশেষ করে ডিমপাহাড় এবং সাঙ্গু নদীর মধ্যবর্তী অত্যন্ত দুর্গম এলাকাগুলোতে বিপুল পরিমাণ জমিতে এই নিষিদ্ধ মাদক চাষাবাদ হচ্ছে। এসব এলাকায় আরও প্রায় ১০০ একরের বেশি জমিতে পপি চাষ করা হয়েছে।

 

নিরাপত্তা বাহিনীর জানায়, “দুর্গম পাহাড়ের সুযোগ নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সাধারণ মানুষকে পপি চাষে উদ্বুদ্ধ করছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠী গুলো এই মাদক বিক্রয় ও চাষাবাদের মূলহোতা। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখতে যৌথ বাহিনীর এই চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে”।

 

পার্বত্য অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং মাদক নির্মূলে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর এই কঠোর অবস্থান স্থানীয় মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ