গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার নব্য প্রেরণা তারেক রহমান!
স্টাফ রিপোর্টার:: এ এক নব্য ইতিহাস! এ এক নব্য প্রেরণা! এ নব্য ইতিহাসের গণতান্ত্রিক রাজনীতির নায়ক জিয়া -খালেদা তনয়া, তারেক রহমান। সুদূর যুক্তরাজ্য থেকে নিজভূমি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মাটিতে নেমেই,প্রথমেই লাখো লাখো জনতার সামনে দাঁড়িয়ে উচ্চারণ করেছিলেন, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।’ তারপর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’, দেশ গড়ার প্ল্যান।
দীর্ঘ ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে প্রবাস জীবন, দেশে ফেরার পর মা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু। একের পর এক, বারংবার ধকল গেছে তাঁর ওপর।
এর পরই আসল জিয়া সৈনিকের জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ এর বিরামহীন প্রচারণা। এই প্রচারণায়ও তারেক রহমান পাহাড়সম জনপ্রিয় করে তুলে।
তাঁর প্রচারণায় ছিলো একেবারে নতুনত্ব, “সবার আগে বাংলাদেশ”! মূল কথা ক্যারিশম্যাটিক কিংবা ম্যাজিকম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে দেখছে দেশবাসী। নির্বাচনে ভূমিধ্বস জয়ই ছিলো তার ক্যারিশমারই ফসল।এই বিশাল জয়ের পরই তাকে ম্যাজিকম্যান হিসেবে টাইট্যাল দিতে থাকে দেশবাসী।
অন্যদিকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিলো দেশের ইতিহাসে অন্যরকম এক ব্যতিক্রমী নির্বাচন। যেখানে ছিলো না তেমন হানাহানি ও রক্তপাত। এখানে ছিলো শুধুই
উৎসব আর উৎসব। এমন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেশের নির্বাচনের ইতিহাসকে পাল্টে দিয়েছে।
এ নির্বাচনে বেসরকারি ভাবে ২১৩ আসনে জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ও বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত জোটের প্রার্থীরা ৭৭ আসনে বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী-৬৮, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-এনসিপি ৬, খেলাফত মজলিশ-৩ আসনে জয়ী হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৮-আসনে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
এই নির্বাচনে তারেক রহমানের ক্যারিশমা বিএনপিকে নিয়ে গেছে অনন্য এক সু-উচ্চতায়! এমন বিজয়ে সরকার গঠনের নিরঙ্কুশ সমর্থন আদায় করে নিয়েছে বিএনপি। নির্বাচনে ঢাকা ও বগুড়ার দুই আসন থেকে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও।
এদিকে ঢাকার দুই আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা: শফিকুর রহমান, এনসিপি আহবায়ক নাহিদ ইসলাম। এ নির্নাচনে শুধু বিএনপি নয়, জামায়াতে ইসলামীও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের আসন পোক্ত করে নিয়েছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি), সবকিছু ঠিকটাক থাকলে–সকালের দিকে এমপিদের শপথ, বিকেলে মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হতে যাচ্ছে । আর এই মন্ত্রী সভায় এবার ম্যাজিকম্যান খ্যাত তারেক রহমানই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রায় নিশ্চিত।
সব মিলিয়ে এবার নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের পথে এগুচ্ছে আমাদের উনিশো’ একাত্তরে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ। এখানে না বললেই নয়। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’।
প্রায় ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে পা রেখে তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর জনতার কাতারে দাঁড়িয়ে, জনতার উচ্ছাস ধারণ করে, উচ্ছারণ করেছিলেন– ‘ আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’।
এখন থেকে তারেক রহমানের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর সময় ক্ষণ নির্ধারণ হয়ে গেছে। নতুন মন্ত্রী সভার সদস্যদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
দেশের রাজনীতির ইতিহাসে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করলেন তারেক রহমান নির্বাসন থেকে ফিরে এসে ক্ষমতার শীর্ষে আরোহন করে।