#তদন্তে কালক্ষেপণের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে #রাজধানীতে গলাকেটে স্কুল ছাত্রী হত্যা
এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া,ঢাকা থেকে ফিরে:
রাজধানীর বনশ্রীতে ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) নামের এক স্কুলছাত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে দক্ষিণ বনশ্রীর প্রধান সড়কের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘন্টা অতিবাহিত হলেও হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পুলিশ কালকে কালক্ষেপণ বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত ফাতেমা আক্তার লিলি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
তাদের একটি হোটেলের ব্যবসা রয়েছে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে খাবার আনার জন্য হোটেলের কর্মচারী মিলন বাসায় এলে লিলি তার সঙ্গে কিছুটা খারাপ ব্যবহার করেছিল। শনিবার দুপুরে মিলন খাবার নিতে আবার বাসায় আসে।
শোভা বলেন, ‘আমি জিমে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি ঘরের দরজা খোলা, ভেতরে সবকিছু এলোমেলো। একটি পাতিলের নিচে আমার বোন কুঁকড়ে পড়ে ছিল। হিজাব খুলে দেখি গলায় রশি প্যাঁচানো এবং গলা বঁটি দিয়ে কাটা। আমাদের সন্দেহ হোটেলের কর্মচারী মিলনের ওপর।’
লিলিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বাড়ির মালিক বা অন্য কেউ সাহায্য করেননি বলে অভিযোগ করেন শোভা। একই সাথে শোভা অভিযোগ করেন, তার পরিবার অসহায় বলে পুলিশ হত্যা মামলা তদন্তে কালক্ষেপন করছে।
লাশ পড়ে থাকলেও কেউ সহযোগিতা করেনি পরে এক বন্ধুর সহযোগিতায় রিকশায় করে ফরাজী হাসপাতালে নেওয়া হয়।খিলগাঁও থানার ওসি শফিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করে, লাশ হাসপাতালে পাওয়া গেছে বলে জানান।তবে তদন্ত অবহেলা বা কালক্ষেপণ বিষয় অস্বীকার করেন তিনি। বলেন স্কুলছাত্রী হত্যার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে হত্যার খবরে হবিগঞ্জের লাখাই গ্রামের বাড়িতে স্কুলছাত্রী লিলির স্বজনদের অস্ত্র ভেজা চোখের কান্নায় চলছে শোকের মাতম। তবে গ্রামের বাড়িতে কি নিয়ে মামলা ছিল কি মামলা বা প্রতিহিংসা ছিল এ নিয়ে কাজ করছে আমাদের দুরন্ত টিম। বিস্তারিত আসবে খুব শিগগিরই। এখন প্রশ্ন হল লিলি হত্যাকাণ্ডে জড়িত কি মিলন না অন্য কোন কাহিনী রয়েছে এর ভেতর?