শিরোনাম
হরিরামপুরে বয়ড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত । গোয়াইনঘাটে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন এজাহার ভুক্ত আসামি গ্রেফতার ৮ ভোলায় গ্রাম বাংলা জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় ক্রীড়া উৎসব  কানাইঘাটে থানার দালাল সফিরের ক্ষমতার বাহাদুরি গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন- গোয়াইনঘাটে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া ইতিহাসে অমর. সীমিত আয়ের মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন

টেকনাফে সাগরের আগ্রাসনে শাহপরীর দ্বীপ বিলীন হচ্ছে ঝাউবাগান কমছে পর্যটন:

স্টাফ রিপোর্টার / ৪০ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

টেকনাফে সাগরের আগ্রাসনে শাহপরীর দ্বীপ বিলীন হচ্ছে ঝাউবাগান কমছে পর্যটন:

 

মোঃ নবীন ইসলাম :: দেশের সর্ব দক্ষিণের শেষ ভূখণ্ড কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফনদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের ঘোলারচর এলাকার ঝাউবাগান এখন অস্তিত্ব সংকটে। বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউয়ের ধারাবাহিক তোড়ে প্রতিদিন উপড়ে যাচ্ছে শত শত ঝাউগাছ। দ্রুত টেকসই বাঁধ বা জিওব্যাগ দিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বর্ষা মৌসুমের আগেই এই নয়নকাড়া এলাকাটি সাগরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

মঙ্গলবার ৬ জানুয়ারি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বঙ্গোপসাগরের ঢেউয়ের আঘাতে ঝাউগাছ উপড়ে যাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ ঘোলারচরের ঝাউবাগানটি কেবল সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, এটি সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঝড় থেকে দ্বীপকে রক্ষা করার প্রাকৃতিক দেয়াল হিসেবে কাজ করে। “ইতিমধ্যে সাগরের ঢেউয়ের আঘাতে শত শত ঝাউগাছ শিকড়সহ উপড়ে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ বা বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙন রোধ করা না গেলে পুরো বাগানটি সাগরে বিলীন হয়ে যাবে। সরকারি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।”

 

সাম্প্রতিক সময়ে শাহপরীর দ্বীপের এই স্থানটি পর্যটকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন দৃষ্টিনন্দন সড়ক দিয়ে সাগর দেখতে দেখতে শাহপরীর দ্বীপে আসার পথটি ভ্রমণপিপাসুদের মুগ্ধ করে। সড়কের দুই পাশে লবণ চাষের বিস্তৃত মাঠ এবং নাফনদীর মোহনায় দাঁড়িয়ে মিয়ানমার সীমান্ত দেখার সুযোগ পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে। বিশেষ করে দ্বীপের শেষ প্রান্তের এই ঝাউবাগানটি পর্যটকদের মূল বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

এব্যাপারে সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফারিহা ইয়াছিন জানান, শাহপরীর দ্বীপের এই প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলে ভবিষ্যতে এখানে পর্যটক সমাগম আরও বাড়বে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। তবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে পর্যটকরা বিমুখ হতে পারেন। আসন্ন বর্ষার প্রবল ঢেউ শুরু হওয়ার আগেই যদি পানি উন্নয়ন বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জিওব্যাগ বা স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে, তবেই রক্ষা পাবে এই অনন্য ভূখণ্ড।পরিবেশবাদী ও এলাকাবাসীর দাবি, দ্বীপের দক্ষিণ অংশ রক্ষায় যেন এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ