শিরোনাম
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে চেক, কার্ড ও হুইল চেয়ার বিতরণ বিপদতারিনী ব্রত পালনে মন্দিরে মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় ও দীর্ঘ লাইন সিলেট নগরীর কালীঘাটে অবৈধ ভারতীয় পণ্যের চোরাচালান: সাদ্দামের গোডাউন ঘিরে অভিযোগের তীর!  জাফলংয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোটি টাকার বালু-পাথর লুটপাট: নেপথ্যে ‘কালা মানিক’ সিন্ডিকেট মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা ইসকনের ৫৫ তম আন্তর্জাতিক রথযাত্রার শুভ সূচনা করলেন  ইজারা নিয়েও তাহিরপুরের ফাজিলপুর ঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ ইজারাদার রেজুয়ানের চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা-কারিগরি বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত: নতুন নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর উত্তর খুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রজিবুর রহমান মুহেল  মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব সম্মেলনে ‘কনফিডেন্স স্পার্ক’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশের জয় দাস রথযাত্রার শুভ লগ্নে-স্বাধীনতা দিবস উৎসব উদযাপন সমিতির ১৩ তম বর্ষ দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজোর শুভ সূচনা হলো।
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন

আইসিইউতে থাকা ৪১ শতাংশ রোগীর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪২ Time View
Update : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

120

দেশের আইসিইউতে ভর্তি রোগীর ৪১ শতাংশ কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে সাড়া দিচ্ছে না বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধ ক্ষমতা (এএমআর) বিপজ্জনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) আইইডিসিআরের নতুন ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ন্যাশনাল এএমআর সার্ভেলেন্স রিপোর্ট ২০২৫’ প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা প্রফেসর ড. জাকির হোসেন হাবিব।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত দেশের ৯৬,৪৭৭ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পাঁচটি আইসিইউতে ৭১ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হলে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্যান-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (পিডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৭ শতাংশ এবং আইসিইউতে ৪১ শতাংশ পাওয়া গেছে। মাল্টি-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (এমডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৪৬ শতাংশ এবং আইসিইউতে ৮৯ শতাংশ দেখা গেছে।

এছাড়া, হু ওয়াচ-গ্রুপ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বেড়ে ৭৭ শতাংশ থেকে ৯০.৯ শতাংশ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ছিল সেফট্রিয়াক্সোন (৩৩ শতাংশ) এবং মেরোপেনেম (১৬ শতাংশ)।

প্রফেসর হাবিব সতর্ক করে বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের নিয়মহীন ও অতিরিক্ত ব্যবহার এএমআরকে বিপজ্জনক পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। এটি এখন দেশের জন্য বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি।

কববব

দেখুন ভিডিওতে


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ