শিরোনাম
জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ “মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান চৌধুরীর প্রতি একটি খোলা চিঠি” নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।     
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন

সুনামগঞ্জে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে হাওরের নারীদের নিয়ে সমাবেশ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৫৭ Time View
Update : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫

65

সুনামগঞ্জে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে হাওরের নারীদের নিয়ে সমাবেশ

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :::: আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে হাওরের জেলা সুনামগঞ্জে নারীদের নিয়ে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার সকালে সুনামগঞ্জ শহরের লতিফা কমিউনিটি সেন্টারে খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক খানি বাংলদেশ,অনচিত্র,বিন্দু,হাউস,প্রাণ এর যৌথ উদ্যোগে এই নারী সমাবেশ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। 

এই সমাবেশে হাউসের নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভ”র সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন,জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোদাচ্ছির আলম,ফোরাম অন ইকোলজি এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর সিলেট অঞ্চলের সভাপতি আবুল হোসেন,সাংবাদিক লতিফুর রহমান রাজু এবং এইচ এম পি উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রভাষক শাহিনা চৌধুরী রুবি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন,দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকেই নারীরা। কাজেই মোট নারী কর্মশক্তির প্রায় ৭৪ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত রয়েছেন। গত এক দশকে কৃষিখাতে নারী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ১১৬ শতাংশ বেড়েছে,যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় তাদের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্পষ্ট ইঈিত দেয়। কাজেই এই উল্লেখযোগ্য অবদান সত্বে কৃষিকাজে নিয়োজিত মোট মহিলা শ্রমিকের পায় ৭২ শতাংশ অবৈতনিক পারিবারিক শ্রমিক হিসেবে কাজ করে থাকেন। তারা তাদের শ্রমের ৪৫.৬ শতাংশ বিনামূল্যে প্রদান করেন এবং দৈনিক শ্রমের জন্য পূরুষদের প্রায় অর্ধেক পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন বলে মনে করেন বক্তারা। ##

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ