শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন

হরিরামপুরে গ্রাম বাংলার ইতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা-২০২৫ অনুষ্ঠিত। 

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৮ Time View
Update : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫

হরিরামপুরে গ্রাম বাংলার ইতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা-২০২৫ অনুষ্ঠিত। 

 

মোঃ বিল্লাল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:: আবহমান গ্রাম বাংলার ইতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। ৩ রা অক্টোবরে বেলা ৪ ঘটিকায় উপজেলার বাহাদুরপুর বাজার সংলগ্ন ইছামতি নদীতে বাহাদুরপুর ও ডেগিরচর এলাকাবাসীর এর উদ্যোগে ও গোপিনাথপুর ও রামকৃষ্ণপুর এলাকাবাসীর এর সার্বিক সহযোগিতায় উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির সভাপতি জোবায়ের ওমর ও সদস্য সচিব মিজান মৃধা। আয়োজক কমিটির কোষাধ্যক্ষ সাইদুর রহমান খান

গোপিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মোল্লা (লাভলু),উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি ও গোপিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস, গোপিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাঈদ সিকদার,গোপিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাফর,হরিরামপুর থানার এসআই শেখ ফারুক প্রমূখ।

উপস্থিত বক্তরা বলেন, “নৌকা বাইচ আমাদের ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি শুধুমাত্র একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি আমাদের শেকড়, সংস্কৃতি ও মানুষের সামাজিক সম্প্রীতির প্রতীক। নৌকা বাইচ বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মানুষের আত্মার সঙ্গে সম্পর্কিত এক অবিচ্ছেদ্য উৎসব। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মকে বাংলার শেকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে আমার প্রত্যাশা।”

উল্লেখ্য, বাইচ প্রতিযোগিতায় প্রচুর প্রমীলা দর্শক উপস্থিত ছিলেন। সর্বশেষ আকর্ষণ পুরষ্কার বিতরণের মধ্যে দিয়ে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘটে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ