শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন

সিলেটে হাওর দখলের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

স্টাফ রিপোর্টার / ১৭১ Time View
Update : রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:

সিলেটে উচ্চ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও হাওরের একাংশ অবৈধভাবে দখল করে চাষাবাদের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছেন গোয়াইনঘাট উপজেলার ধর্মগ্রাম গ্রামের তজম্মুল আলীর ছেলে মো. সালেহ রাজা।

সম্প্রতি (১২ আগস্ট) তিনি এ আবেদন করেন।

আবেদনে সালেহ রাজা উল্লেখ করেন, গোয়াইনঘাট উপজেলার ধর্মগ্রাম হাওরের (জেএল নং ২৪১, ধর্মগ্রাম মৌজা) পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় তিনি উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদন (নং ৮০৭৬/২০২৫) দায়ের করেছিলেন। গত ১৩ জুলাই আদালত প্রশাসনকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

কিন্তু তার অভিযোগ, জনৈক শুক্কুর আলী ও তার সহযোগীরা হাওরের একাংশ দখল করে অবৈধভাবে চাষাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি হাওরের জীববৈচিত্র ও পরিবেশের উপর সরাসরি আঘাত।

তিনি দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে অবৈধ দখল মুক্ত করাসহ প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

তিনি এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে জানিয়েছেন, পরিবেশ রক্ষায় কিছু গাছপালা লাগালেও অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তা কেটে ফেলেছে। তিনি আরও জানান, শুক্কুর আলী বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ধর্মগ্রাম নৌশ্রমিক নামে একটা সমিতি করেন এবং সুদে টাকা খাটিয়ে জিরো থেকে হিরো হয়ে যান। তখন বিভিন্ন নির্বাচনের সময় আওয়ামী প্রার্থীদের কালো টাকা তিনি ভাগবাটোয়ারা করতেন। তাছাড়াও তিনি এক লাঠিয়াল বাহিনী গড়ে তুলেছেন, যাদের ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।

তার আবেদনের অনুলিপি ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি ভূমি কমিশনারের কাছেও পাঠানো হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ