শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

ভৈরবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ  না থাকায় বাজারে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ  কারেন্ট,রিং,চায়না দোয়ারী জাল বিলুপ্তির পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৮৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫

মোঃ ছাবির উদ্দিন রাজু ভৈরব কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

ভৈরবে নিষিদ্ধ কারেন্টচায়না দোয়ারী জালে মাছ স্বীকারে বিলুপ্তির পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ । প্রশাসনের কঠোর নজরদারী ও কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় দিন দিন নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে অবাধে মাছ স্বীকার করছে জেলেরা । স্থানীয়দের দাবী বিদেশ থেকে  নিষিদ্ধ জাল আমদানী ও  বাজারে বিক্রি বন্ধ করতে হবে ।  এসব অবৈধ কারেন্ট,রিং,চায়না দোয়ারী জালে ছেয়ে গেছে ভৈরব বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে । যত্রতত্র এসব অবৈধ জাল এখন কিনতে পাওয়া যায় ।  যার ফলে এসব অবৈধ জালে এবং ইলেক্ট্রিক শকে যেন মাছ স্বীকার করতে না পারে সেজন্য অসাধু জেলেদের পাশাপাশি অবৈধ জাল বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিবে এমনটাই সচেতন মহলের দাবী। তবে স্থানীয় মৎস্য অফিস বলছে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ স্বীকার বন্ধে ও দেশীয় প্রজাতির মাছ  রক্ষায় অভিযান চালাচ্ছে এবং অভিযান অব্যাহ থাকবে।

ভৈরবে মেঘনা নদী ,ব্রক্ষ্যপুত্র ,কোদালকাটি,শীতলপাটি নদী ও খাল-বিলে ও জলাশয়  থেকেএক শ্রেণীর অসাধু জেলেরা সন্ধ্যার পর থেকে পরদিন ভোর পর্যন্ত ইলেকট্রিক শক, কারেন্ট জাল , চায়ানা দোয়ারী ও রিং জাল দিয়ে মাছ স্বীকার করছে ।  এভাবে মাছ স্বীকারের ফলে মা মাছসহ মাছের পোনা ও নিধন হচ্ছে । যার ফলে দিনে দিনে নদ-নদী খাল-বিল ও জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির বাইল্লা,গোলসা,শিং.মাগুড়,কাইক্কা.মেনি,শৈল গজার বোয়ালসহ বিভিন্ন মাছ এখন বিলুপ্তির পথে ।  স্থানীয়রা জানান, আগে নদ-নদী ,খাল-বিলে যে পরিমান দেশীয় প্রজাতির মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়তো এখন তার অর্ধেক ও ধরা পড়েনা । নিষিদ্ধ এসব জাল দিয়ে মাছ ধরার কারনে বর্তমানে মাছের আকাল দেখা দিয়েছে । তাই এসব জাল উৎপাদন বন্ধ,বিক্রি ও বাজারজাত বন্ধ করতে হবে । তা নাহলে আগামীতে  দেশীয় প্রজাতির মাছ শূণ্য হয়ে পড়বে নদ-নদী,খাল-বিল ও জলাশয় গুলো ।
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিক স্বীকার করে জানান, নদ-নদী.খাল-বিল ও জলাশয়ে অবৈধ কারেন্ট,রিং,চায়না দোয়ারী জাল ও ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে অসাধু জেলেরা মাছ স্বীকার করার ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে । কারেন্ট,রিং,চায়না দোয়ারী জাল দিয়ে যেন মাছ স্বীকার করতে না পারে সেজন্য অসাধু জেলেদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ৫ হাজার ৫শ মিটার জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে । এ অভিযান অব্যাহত থাকবে । শুধু আশ্বাস নয় দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় প্রশাসন সর্বদা অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখবে এমনটাই দাবী ভৈরববাসির ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ