শিরোনাম
হরিরামপুরে বয়ড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত । গোয়াইনঘাটে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন এজাহার ভুক্ত আসামি গ্রেফতার ৮ ভোলায় গ্রাম বাংলা জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় ক্রীড়া উৎসব  কানাইঘাটে থানার দালাল সফিরের ক্ষমতার বাহাদুরি গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন- গোয়াইনঘাটে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া ইতিহাসে অমর. সীমিত আয়ের মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন

কদমতলীতে জোড়া খু নে ৩ জনের মৃ ত্যু দ ণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার / ১৭৮ Time View
Update : রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

সিলেট বুলেটিন ডেস্ক:

১৫ বছর আগে রাজধানী কদমতলী থানাধীন এলাকায় ইয়াসমিন আলম ও তার মেয়ে ইরিনা আলম তানহাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

রবিবার (২০ জুলাই) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নার্গিস ইসলাম এ রায় দেন।পাশাপাশি প্রত্যেকের ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মো. আল আমিন, মো. মিরাজ মোল্লা এবং নুর আলম। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন আসামি আল আমিন ও মিরাজ। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে নুর আলম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমের স্বামীর পূর্বের স্ত্রী ও অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় ২০১০ সালের ৮ মে গলায় ফাঁস দিয়ে এবং হাত পা বেঁধে ইয়াসমিন আলম ও তার মেয়ে ইরিনা আলম তানহাকে হত্যা করেন। ওই ঘটনায় রাজধানীর কদমতলীর থানায় নিহতের ভাই মনির হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট গোয়েন্দা ও অপরাধ বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক শেখ মাহবুবুর রহমান তিন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২২ সালের ৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় দেন বিচারক।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ