শিরোনাম
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন

সরকার পতনের পর থেকে মাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে চিকিৎসা বন্ধ ভোগান্তিতে পড়েছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৫৮ Time View
Update : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলা মাড়িয়া গ্রামে ২০১৮ সালে নির্মান করা হয় মাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র হাসপাতাল। হাসপাতালটি উদ্বোধনের পর থেকে রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান করে আসছিলেন।

এলাকায় হাসপাতাল পেয়ে অতি আনান্দিত এলাকাবাসী। মাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে এলাকাবাসী সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ চিকিৎসা নিতে আসতেন। সরকার পতনের আগ পর্যন্ত মাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে চিকিৎসা মিলেছে। তবে সরকার পতনের পর থেকে আর মিলেনি কোনো চিকিৎসা।

দুর দুরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন।তাদের অভিযোগ আমরা অনেক দুর থেকে এসে এখন আর চিকিৎসা পাই না। মাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে চিকিৎসক থাকলেও নেই কোনো ঔষধ ও চিকিৎসা। ঔষধ নিতে গেলেই শুনতে হয় ঔষধ নেই।

ভেঙ্গে গেছে মেইন দরজা নেই কোনো সংস্কার। মাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র বর্তমানে মানুষের আবাস্থল এবং গরু ছাগল খাওয়ানোর জায়গা হয়ে উঠেছে। দেখা যায় কাপড় শুকানো থেকে শুরু করে সব কাজ হাসপাতালের মধ্যে হয়। হাসাপাতালে ঔষধ না থাকায় চিকিৎসা নিতে পারছেন না রোগীরা।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ